নিউ মার্কেটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছল। শনিবার সীমান্ত দিয়ে দেহ বাংলাদেশে পৌঁছায়। নিহত ৬ জনকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও মৃতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে। শনিবার সকালে সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামানের মৃতদেহ ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। পরে দেহগুলি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন:
এ ছাড়া কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্য এবং ঢাকার এক বাসিন্দার মৃতদেহ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে শনিবার বিকেলে দেশে ফেরানো হয়। কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন জানিয়েছে, মৃতদেহ সংরক্ষণ, পরিবহন ও দেশে ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। মৃত ৭ বাংলাদেশির মধ্যে সাতক্ষীরার রেবতী সরকারের মরদেহ তার পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী শুক্রবার রাতে কলকাতায় সৎকার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন আর্থিকসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক এই দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের মধ্যে ৭জনই ছিলেন বাংলাদেশি। এর আগে বাংলাদেশিদের মধ্যে ৫ জনের দেহ ভারতের পেট্রাপোলে পৌঁছায়। তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে কলকাতায় হাইকমিশনারের কার্যালয় থেকে দেহগুলি শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় পেট্রপোল সীমান্তে পৌঁছায়। দুই দেশের কূটনীতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ বেনাপোল সীমান্তে স্বজনদের কাছে দেহগুলি হস্তান্তর করা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট