লুকোচুরি খেলে লাভ হল না! নিউ মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিন পর গ্রেপ্তার ‘শিখা ইন’-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্র। শনিবার ডায়মন্ড হারবার রোডের বেহালার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।
এই বিষয়ে আরও খবর
মঙ্গলবার গভীর রাতে দাউদাউ করে জ্বলে উঠেছিল নিউ মার্কেটের ‘শিখা ইন’ হোটেল। মৃত্যু হয়েছিল ৯ আবাসিকের। তাঁদের মধ্যে ৮ জনই বাংলাদেশি। কেউ চিকিৎসার জন্য, কেউ আবার অন্য কোনও কাজে এসেছিলেন তিলোত্তমায়। কিন্তু আর ঘরে ফেরা হল না। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই বেপাত্তা হোটেলের মালিক বীরেশ্বর মিত্র। নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটে মোট দুটি হোটেল ছিল বেহালার বীরেশ্বর মিত্রের। একটি ‘শিখা ইন’, অন্যটি ‘জাপন’। দুটোই একেবারে ছোট্ট জায়গায়। ‘শিখা ইনে’র একেবারে উলটোদিকেই রয়েছে ‘জাপন’। মঙ্গলবার রাত তিনটে নাগাদ তিনতলা ‘জাপন’-এর কর্মীরাই দেখেন উলটো দিকের হোটেলে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন। হোটেল কর্মী ইন্দ্রদেব পাসওয়ান জানান, সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফোন করেন মালিক বীরেশ্বরকে। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। কিছুক্ষণ পর আবারও ফোন করা হলেও লাভ হয়নি। একটা সময়ের পর ফোন সুইচড অফ করে দেন তিনি।

সেই থেকেই বেপাত্তা বীরেশ্বর। তবে অবশেষে শেষ হল লুকোচুরি খেলা। শনিবার ডায়মন্ড হারবার রোডের বেহালার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বীরেশ্বর মিত্রকে। উল্লেখ্য, মাস পাঁচেক আগে নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইন-এর একটি তলা বীরেশ্বরের থেকে লিজ নিয়েছিলেন আবু জাফর নামে এক ব্যবসায়ী। বিনিময়ে মালিক বীরেশ্বরকে মাসে ৪০ হাজার টাকা দিতেন তিনি। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর পর পুরো পরিবার নিয়ে মধ্য কলকাতার জোড়াসাঁকোর মদনমোহন বর্মন স্ট্রিটের বাড়ি থেকে পালান জাফর। কলকাতা থেকে উত্তরপ্রদেশে পরিবার নিয়ে পালানোর ছক ছিল তাঁর। যদিও তার আগেই পূর্ব কলকাতার এন্টালিতে এক আত্মীয়র বাড়ি থেকেই লালবাজারের গোয়েন্দারা গ্রেপ্তার করেন তাঁকে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
চন্দ্রবোড়া ছোবলের মুখে মা মরা মেয়ে, বাঁচাতে ঝাঁপালেন বাবা! তারপর যা হল…
-
কেমন চলছে চিকিৎসা? মীরা ভট্টাচার্যর খবর নিতে হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
-
ছিলেন বিমানসেবিকা, হলেন পুলিশ সুপার! সেই নেহার বিরুদ্ধেই তোলাবাজির অভিযোগ
-
সারাক্ষণ বেরিয়ে জিভ, ঠিকরে বেরচ্ছে চোখ! সবচেয়ে ‘কুৎসিত’ কুকুরের তকমা পেয়ে ৫ লক্ষ জিতল লু
-
বুধবার কলকাতার হোটেলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু, ৬ বাংলাদেশির দেহ ফিরল দেশে



