চাল থেকে চিনি – মূল্যবৃদ্ধির আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ। নাভিশ্বাস উঠেছে আমজনতার। এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে ‘বাঁচাতে’ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে ১ হাজার টাকার নোট বাতিলের পথে ঢাকা! এই মর্মে তারেক রহমানের সরকারকে একটি নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহম্মদ মাহমুদুল হাসান।
ওই নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনও ধরনের রিজার্ভ ছাড়াই ক্রমাগত টাকা ছাপাচ্ছে। অর্থনীতি ও মুদ্রানীতির নিয়ম অনুযায়ী, নতুন টাকা ছাপানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সমপরিমাণ স্বর্ণ, রৌপ্য অথবা নির্ভরযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার (যেমন : ডলার, ইউরো, আরএমবি) রিজার্ভ বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই নিয়মের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো টাকা ছাপানোর ফলে টাকার নিজস্ব মান ধ্বংস হচ্ছে। এর জেরে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। দেশে ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি তৈরি হচ্ছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্বাভাবিকভাবেই সংকটের মুখে পড়েছে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষেরা। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘জীবনধারণের অধিকার’ বলতে কেবল পশুর মতো বেঁচে থাকাকে বোঝায় না, বরং মানুষের মতো মর্যাদাপূর্ণভাবে বেঁচে থাকার অধিকারকে বোঝায়। স্বর্ণ ও রৌপ্যের মতো মূল্যবান সম্পদের রিজার্ভ ছাড়া টাকা ছাপিয়ে সংকট সৃষ্টি সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন।
এছাড়া ওই নোটিসে ১ হাজার টাকার নোটের বিরূপ প্রভাব সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ, দিনমজুর বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন লেনদেনের জন্য ১ হাজার টাকার মতো বড় অঙ্কের নোটের কোনও প্রয়োজন নেই। এই নোট দুর্নীতিবাজ, অপরাধীরা হাতিয়ার করছে। তার ফলে ধ্বংসাত্মক ছায়া অর্থনীতি তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের