Bangladesh

সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র বিএনপি-জামাতের, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

২০১৩ সালে বাংলাদেশ জুড়ে হিংস্র আন্দোলন শুরু করেছিল বিএনপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২২, ১৬:০৭

options
link
সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র বিএনপি-জামাতের, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি ও জামাত গোষ্ঠী। এই বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সাধরণ মানুষের উপর কোনও ধরনের হামলা হলে অত্যন্ত কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement

রবিবার ঢাকায় জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে শাসকদল আওয়ামি লিগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। দেশবাসীকে সতর্ক করে সেখানে তিনি বলেন, “কট্টরপন্থী দল বিএনপি-জামাত যাতে দেশে আর অগ্নিসন্ত্রাস করার সুযোগ না পায়।” ‘অগ্নিসন্ত্রাসের আর্তনাদ: বিএনপি-জামাতের অগ্নিসন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের খণ্ডচিত্র’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার শুধু একটাই আহবান থাকবে দেশবাসীর কাছে– ওরা রাজনীতি করতে চাইলে সুষ্ঠু রাজনীতি করুক, আমার আপত্তি নেই। কিন্তু আমার এই সাধারণ মানুষের গায়ে কেউ হাত দিলে তাদের রক্ষা নাই। আমি শুধু দেশবাসীকে এটুকুই বলবো বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ওই দুঃসময়ের কথা যেন কেউ ভুলে না যায়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বাণিজ্যের নতুন পথ? জেলিফিশ রপ্তানি করে আয়ের উৎস সন্ধান বাংলাদেশের]

বিএনপি (BNP) জমানায় অত্যাচারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে হাসিনা বলেন, “১৯৭৫ সালের আগস্টে ঘাতকের দল যারা ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা এ দেশের মানুষ হত্যার যাত্রা শুরু করে। আমার মনে হয় যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে অত্যাচার করেছে, তার পুনরাবৃত্তি করেছে বিএনপি ও জামাত। ৭৫ সালের পর আমাদের সেনাবাহিনীতে ১৯ থেকে ২০টা ক্যু হয়েছে। সেনা অফিসার, বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করা হয়েছে। তাদের পরিবার লাশও পায়নি। বিচারও হয়নি। ফাঁসি দিয়ে, গুলি করে অথবা ফায়ারিং স্কোয়াডে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা দিনের পর দিন চলেছে এ দেশে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ জুড়ে হিংস্র আন্দোলন শুরু করে বিএনপি। বিরোধী দলটির কর্মীদের ছোঁড়া পেট্রল বোমায় অন্তত ৫০০ জন মানুষ আগুনে পুড়ে মৃত্যুর মুখে পড়েন। তিন হাজার বেশি জখম হন। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, “২০১৩ সালেই তারা ৩ হাজার ৬০০ মানুষকে পেট্রোল বোমা মেরে জখম করেছে। ২০১৪ ও ’১৫ তেও করেছে। একইভাবে গাড়ি পুড়িয়ে মানুষের জীবন-জীবিকা শেষ করে দিয়েছিল। এটা কী রকম আন্দোলন। সেটা জানি না। আন্দোলনের নামে বিএনপি মানুষ খুন করা শুরু করেছিল।” সবমিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রী বার্তা দেন যে দেশে কোনও ধরনের হিংসার ঘটনা হলে দোষীদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে।

[আরও পড়ুন: পাইপলাইন মেরামতির কাজ, আগামী ১ সপ্তাহ ঢাকায় গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.