Bangladesh

চট্টগ্রামের ইউরিয়া সার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, সুরক্ষার স্বার্থে বন্ধ হল উৎপাদন

যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণের অভাবকেই দায়ী করছেন কর্মীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২২, ১৫:১৭

options
link
চট্টগ্রামের ইউরিয়া সার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, সুরক্ষার স্বার্থে বন্ধ হল উৎপাদন

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে আতঙ্কের পরিবেশ বাংলাদেশের (Bangladesh) চট্টগ্রামে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ আনোয়ারা উপজেলার ইউরিয়া সার কারখানায় আগুন লাগে। জানা গিয়েছে, অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টের রিফর্মার পাইপ ফেটে বিস্ফোরণ হয়। তারপরই অগ্নিকাণ্ড (Fire)। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উৎপাদন কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আপাতত।

Advertisement

চট্টগ্রামের (Chittagong) আনোয়ারা উপজেলায় রাষ্ট্রায়ত্ত চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা লিমিটেডে (সিইউএফএল) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কারখানার দক্ষিণে রয়েছে অ্যামোনিয়া (Ammonia) প্ল্যান্ট। সেখানকারে রিফর্মার পাইপ ফেটে এই আগুন লাগে বলে কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর। কর্মীরা জানাচ্ছেন, সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ অ্যামোনিয়া প্ল্যান্ট থেকে আগুনের শিখা দেখা যায়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে কারখানার নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণকর্মী ও পাশের কাফকো সার কারখানার একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে অনুব্রতহীন বীরভূম, জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠকে অভিষেক]

কর্মীদের দাবি, রিফর্মার পাইপলাইনটি অত্যন্ত পুরনো। এটি আগে পরীক্ষানিরীক্ষা করে সংস্কার করলে এই ঘটনা ঘটত না বলে মনে করছেন তাঁরা। কারখানার অতিরিক্ত প্রধান রসায়নবিদ প্রদীপ কুমার নাথ বলেন, ”যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে কারখানার উৎপাদন এখন বন্ধ রাখা হয়েছে নিরাপত্তর।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ২ বছর কাজ করে আজীবন পেনশন মন্ত্রী-কর্মীদের! আপত্তি রাজ্যপালের, নয়া বিতর্ক কেরলে]

এই কারখানার বয়স প্রায় সাড়ে তিন দশক। ১৯৮৭ সালের ২৯ অক্টোবর জাপানের (Japan) সহায়তায় কর্ণফুলি নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারার রাঙাদিয়ায় সার কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করে সরকার। সচল থাকলে দৈনিক ১৪০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া (Urea) উৎপাদন হয়। বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৬১ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং ৩ লক্ষ ১০ হাজার মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া। আপাতত সবই বন্ধ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.