কুষ্টিয়ায় বাউল উৎসব

পদ্মাপাড়ে ফকিরি সুর, কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণে শুরু তিনদিনের বাউল উৎসব

আখড়ার বাইরে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বসেছে এই বারোয়ারি মেলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২০, ১৭:৩৪

options
link
পদ্মাপাড়ে ফকিরি সুর, কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণে শুরু তিনদিনের বাউল উৎসব

সুকুমার সরকার, ঢাকা:  কালী নদীর তীরের মাঠে  কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ স্মরণে জমে উঠেছে তিন দিনের বাউল উৎসব। সোমবার রাতের প্রথম প্রহর থেকে চলছে দোল পূর্ণিমা অনুষ্ঠান।  সকাল থেকে সন্ধ্যা এবং তারপর সারারাতের জন্য শুরু হয়েছে অষ্টপ্রহরের কর্মসূচি। আজও রাতভর উন্মুক্ত মঞ্চে চলবে লালনের গান আর দর্শন চর্চা নিয়ে আলোচনা। অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছেঁউড়িয়ায় একেবারে অন্যরকম পরিবেশ বিরাজ করছে ।

Advertisement

বাউল ভক্তদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘এ পরিবেশে নেই কোনও পাওয়ার আশা, আছে শুধু সাঁইজির বাণীর কাছে নিজেকে সমর্পিত করার আকাঙ্ক্ষা।’ তাঁদের মতে, ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ এভাবেই নিজেকে গড়ার উপদেশ দিয়েছিলেন লালন। তিনি সহজিয়া বা অহিংস মানবতার ব্রত নিয়ে দেহতত্ত্ব, ভাবতত্ত্ব, গুরুতত্ত্বের বাণী সমৃদ্ধ গান করে গেছেন। তাঁর এই অমর সৃষ্টি সংগীত কোনও ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সব ধর্মের ঊর্ধ্বে থেকে মরমি সাধক লালন সাঁইজি মানবমুক্তির জন্য সৃষ্টি করেছিলেন ফকিরি মতবাদ। এবারের লালন স্মরণোৎসব আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে কালী নদীর তীরের মাঠে বিশাল মেলার মাধ্যমে।কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে মেলা প্রাঙ্গণে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৭১-এর গল্প আসছে হইচইয়ে, পাকিস্তানি সাংবাদিকের চরিত্রে সৃজিতপত্নী মিথিলা ]

Advertisement

আখড়ার বাইরে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বসেছে এই বারোয়ারি মেলা। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৩ দিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে লালন একাডেমি। সরেজমিনে দেখা গিয়েছে, উৎসবে যোগ দিতে এরই মধ্যে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছেন সাধু-গুরু, বাউল, ভক্তরা। ছোট দলে ভাগ হয়ে দরদ ভরা গলায় গেয়ে চলেছেন লালনের গান। লালনের আখড়াবাড়ির ভিতরে ও আশপাশের অঞ্চল জুড়ে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে রাত কাটাচ্ছেন ভক্তরা। সবমিলে উৎসব অঙ্গন পরিণত হয়েছে গুরুশিষ্যের মিলন মেলায়। আর সাধুরা বলছেন যে, তাঁরা মিলিত হন জ্ঞানচর্চার জন্য। কারণ গুরুবাদী ধর্মে গুরুই প্রধান। লালন অনুসারিরা বলেন, “লালনের অহিংসার বাণী বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে পারলে সেখানেই সার্থকতা।”

[আরও পড়ুন: করোনাই কাঁটা! ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল হলিউড অভিনেতা ক্রিস হেমসওয়ার্থের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.