স্পেন: ২ (ফাবিয়ান, মেরিনো)
বেলজিয়াম: ১ (চার্লস )
ম্যাচটা ছিল বদলার। এক কোয়ার্টার ফাইনালে হারের জ্বালা আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে মেটানোর। ৪০ বছর আগে বিশ্বকাপে শেষ আটের যুদ্ধে বেলজিয়ামের কাছে পরাস্ত হয়েছিল স্পেন। তবে এবার পাশা উলটে দিলেন মিকেল মেরিনোরা। মধুর প্রতিশোধ নিলেন শেষ হয়ে আসা বেলজিয়ামের সোনার প্রজন্মকে হারিয়ে। সেই সঙ্গে বাঁচিয়ে রাখলেন কাপ জয়ের স্বপ্নও।
আরও পড়ুন:
স্প্যানিশ আর্মাডার রক্ষণের গোলকধাঁধা সমাধান করতে পারেনি কেউ। শেষ আটের যুদ্ধে এসে কি সেই প্রাচীর ভাঙতে পারবে বেলজিয়াম? শুরু থেকে খানিকটা ঘুমন্ত থেকে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে চমকপ্রদ গোল করে ম্যাচ বের করে নেওয়ার স্প্যানিশ স্ট্র্যাটেজি কি কাজ করবে? শুক্রবার রাতে স্পেন বনাম বেলজিয়াম ম্যাচের আগে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আলোচ্য বিষয় ছিল এগুলোই। তবে ম্যাচ শুরু হতেই দেখা গেল, এই দ্বৈরথের জন্য রুডি গার্সিয়া এবং লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজেদের রণকৌশল একেবারে পালটে ফেলেছেন।
রক্ষণ নয়, শুরু থেকেই আক্রমণের পথে হাঁটল দুই দল। ম্যাচের আগে স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল বলেছিলেন, বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা দেওয়া এখনও বাকি আছে। এদিন যেন নিজের সেরা খেলাটাই খেললেন ১০ নম্বর জার্সিধারী। যদিও প্রথমার্ধে স্প্যানিশ পাসিং গেম বেশ খানিকটা বিগড়ে দেন হান্স ভানাকেনরা। বিপক্ষের বক্স থেকেই একের পর এক আক্রমণ করেছে বেলজিয়াম। ম্যাচের প্রথম গোলটা এল বল পজেশনে কয়েক যোজন এগিয়ে থাকা স্পেনের থেকেই। ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের গোল, তবে বল সাজিয়ে দেওয়ায় ইয়ামালের ভূমিকা অনস্বীকার্য। স্প্যানিশ ব্রিগেডে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা লাগল ৪১ মিনিটে। যে দল একটাও গোল হজম করেনি, তাদের ডিফেন্স চিরে দিয়ে কেভিন ডি’ব্রুইনের অনবদ্য পাস, গোল চার্লস ডি’কেটেলেয়ারের। 
১-১ অবস্থায় বিরতির পর মাঠে নামল দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধের স্পেন আরও ভয়ংকর। প্রায় ২০ মিনিট ধরে পেদ্রিরা তাণ্ডব চালালেন বিপক্ষের বক্সে। এই সময়টুকুতে যে গোল হল না, তার কৃতিত্ব একমাত্র থিবাও কুর্তোয়ার। অন্তত তিনটে নিশ্চিত গোল বাঁচালেন। কিন্তু চোট পেয়ে চোখের জলে মাঠ ছাড়তে হল বেলজিয়ামের শেষ প্রহরীকে। অন্যদিকে গোল না পেলেও পাসের পর পাস খেলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ওয়াজারবালরা। ফিট হয়ে যাওয়া নিকো উইলিয়ামসও নেমে পড়লেন আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে।
ম্যাচের ম্যাজিক মোমেন্ট ৮৮ মিনিটে। ততক্ষণে একের পর এক চেষ্টা ব্যর্থ হলেও স্প্যানিশ ব্রিগেড আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছে। ৮৬ মিনিটে মাঠে নামলেন মিকেল মেরিনো। আর নিজের দ্বিতীয় টাচেই গোল, মাঠে নামার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে। পর্তুগালকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিয়েছিলেন এই সুপার সাব। এবার বেলজিয়ামকেও ঘরে ফেরালেন। বেঞ্চে বসা কুর্তোয়ার চোখে তখন জল। তিনি থাকলে হয়তো রুখতে পারতেন। শেষ পর্যন্ত লড়েও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল বেলজিয়ামের সোনার প্রজন্ম। খেতাবের স্বপ্নে বিভোর তরুণ স্পেনের সামনে বাকি আর দুই ম্যাচ। সেমিতে প্রতিপক্ষ ফ্রান্স। ২০১০-এর রূপকথা ফেরাতে পারবেন নিকো-ইয়ামালরা? 
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাঝরাস্তায় ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল চুরি! বর্ধমানে সক্রিয় বড়সড় চক্র, সতর্ক পুলিশও
-
পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ
-
আগামী মাসে নদিয়া সফরে মুখ্যমন্ত্রী, প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি থাকবেন সরকারি অনুষ্ঠানেও!
-
একমাসে দ্বিতীয়বার! ফের বঙ্গে আসছেন শাহ, আগামী সপ্তাহে একগুচ্ছ কর্মসূচি
-
চলবে সেতু রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, ফের ১৬ ঘণ্টা বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, জেনে নিন বিকল্প পথ
