পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman) জেলাজুড়ে এইচআইভি আক্রান্ত ৯০ জন! যার মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্ত ৩০ জন। জেলা প্রশাসন সূত্রে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক অসুস্থ যুবকের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরেই এই বিষয়ে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। করা হয় টেস্ট। সেখানেই এমন রিপোর্ট সামনে এসেছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কথায়, আক্রান্তরা সবাই উচ্চশিক্ষিত এবং সুপ্রতিষ্ঠিত। বেশিরভাগই সমকামী। এই সংক্রমণ ছড়ানোর পিছনে অসুরক্ষিত যৌন আচরণ দায়ী বলেও দাবি আধিকারিকদের।
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অক্টোবর মাস পর্যন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী এই জেলায় রোগী বা আক্রান্তের সংখ্যা ২০৯৬ জন। এরমধ্যে, ১৫৩৫ জন নিয়মিত স্বাস্থ্য দফতর থেকে বিনামূল্যে ওষুধ নিয়ে থাকেন। সেপ্টেম্বর, ২০২৩ থেকে অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত জেলায় মোট এইচআইভি টেস্ট হয়েছে ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৭২৫ জনের। এর মধ্যেই সম্প্রতি বর্ধমানে এক যুবক দীর্ঘ অসুস্থতা নিয়ে চিকিৎসা করাতে আসেন। একাধিক পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসতেই দেখা যায়, ওই যুবক এইচআইভি পজিটিভ (HIV Positive)। এরপরেই জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা নড়েচড়ে বসে। আক্রান্ত ওই যুবক কার কার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়েছেন, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। সেই সূত্র ধরেই একাধিক ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হয়। সেখানেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। দেখা যায় বর্ধমান শহর-সহ গোটা জেলায় একাধিক ব্যক্তি এইচআইভি পজিটিভ। যা রীতিমতো উদ্বেগের বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
সম্প্রতি বর্ধমানে এক যুবক দীর্ঘ অসুস্থতা নিয়ে চিকিৎসা করাতে আসেন। একাধিক পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসতেই দেখা যায়, ওই যুবক এইচআইভি পজিটিভ। এরপরেই জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা নড়েচড়ে বসে।
কিন্তু কেন এই অবস্থা? আধিকারিকদের কথায়,এইচআইভি পজিটিভ (HIV Positive) মানেই যে এডস আক্রান্ত রোগী বা তা যে ছোঁয়াছে নয় এই সম্পর্কে অনেক প্রতিষ্ঠানেরও ভুল ধারণা আছে। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রেই অনভিপ্রেত ঘটনা সামনে আসে। সেই বিষয়ে আইন সম্পর্কে সকলকে অবহিত করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তবে এক্ষেত্রে অনিরাপদ যৌন আচরণকেই দায়ী করছেন আধিকারিকরা। এইচআইভি বা এইডস সংক্রান্ত রোগ নিরাময়ে জেলার প্রোগ্রাম আধিকারিক অখিলেশ কুমার ঘোষ এই প্রসঙ্গে আগেই জানান, জেলায় ১২০০ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে, গ্রামীণ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতালে বিনামূল্যে টেস্টিং কিট পাওয়া যায়। বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থাও রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আক্রান্তদের বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। ওই আধিকারিকের কথায়, আগের তুলনায় এইচআইভি পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ায় রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে জেলায়। আবার সময়মতো চিকিৎসায় সুরাহাও মিলছে।
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের