Abhaya Case

‘যদি অর্থের লোভ থাকত…’, অভয়ার বাবার প্রণামী বাক্স ‘দখলের চেষ্টা’ নিয়ে কী বললেন রত্না দেবনাথ?

পানিহাটির শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো। শনিবার ঐতিহাসিক দণ্ডমহোৎসব উপলক্ষে মহোৎসবতলা ঘাটে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। প্রণামীও জমা পড়ে যথেষ্ট।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ১৮:১৪

options
link
‘যদি অর্থের লোভ থাকত…’, অভয়ার বাবার প্রণামী বাক্স ‘দখলের চেষ্টা’ নিয়ে কী বললেন রত্না দেবনাথ?
অভয়ার বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে মুখ খুললেন রত্না দেবনাথ। ফাইল ছবি

পানিহাটির মন্দিরের প্রণামী বাক্স ‘দখলের চেষ্টা’র অভিযোগ উঠেছে অভয়ার বাবার বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগেই এবার মুখ খুললেন নিহত চিকিৎসকের মা তথা বিধায়ক। ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর স্বামীর গায়ে দুর্নীতির কালি ছোড়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই অভিযোগ তাঁর।

Advertisement

বুধবার ফেসবুক লাইভে অভয়ার মা রত্না দেবনাথ বলেন, “আমার আরেকজন কোনও সন্তান নেই যে তার জন্য আমি বা আমার স্বামী অর্থের লোভ করব। আমার যদি অর্থের লোভ থাকত তবে বিজেপির পতাকা ধরতে হত না। মমতা আমাকে কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। অর্থলোভ থাকলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না। পানিহাটিতে নির্মল ঘোষ দেখিয়েছেন রাজনীতি করে কীভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়।” ঠিক কী কারণে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হয়েছে, তা-ও ব্যাখ্যা করেন অভয়ার মা। তিনি আরও বলেন, “মন্দিরের অর্থ মন্দিরের উন্নয়নে ব্যবহারের জন্য মহকুমা শাসককে ট্রাস্ট গঠন করতে বলেছি। তার সদস্য হবেন পুরোহিতও। তবে ওই টাকা নিজের স্বার্থে ব্যবহারের অধিকার থাকবে না তাঁর। মন্দিরের পুরোহিতের গাত্রদাহের কারণ তৃণমূল আর আগের মতো টাকা লুট করতে পারছে না।” রত্না দেবনাথের হুঁশিয়ারি, “আমাকে কোনওভাবেই প্রতিবাদের পথ থেকে সরানো যাবে না।” অভয়ার নামে সিনেমা তৈরির নামে টাকা লুট করেছে তাদেরও সাবধানবাণী শোনান তিনি।

Advertisement

উল্লেখ্য, পানিহাটির শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো। শনিবার ঐতিহাসিক দণ্ডমহোৎসব উপলক্ষে মহোৎসবতলা ঘাটে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। ঘাট লাগোয়া এই মন্দিরে সারা বছরই বিপুল প্রণামী জমা পড়ে, উৎসবের সময় যার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। অভিযোগ, মহোৎসবের আগের সন্ধ্যায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মন্দিরে যান অভয়ার বাবা শেখর দেবনাথ। মন্দির ও প্রণামী বাক্সের চাবি কার কাছে রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। জবাবে সেবাইত বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বংশপরম্পরায় তাঁরাই মন্দিরের পুজো ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর দাবি, “এরপর আমাকে বলা হয়, মন্দিরের ভিতর ও বাইরের প্রণামী বাক্সে জমা টাকা বিধায়কের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গোনা হবে। আমি আপত্তি জানিয়ে বলি, এমন সিদ্ধান্তের জন্য বিধায়কের লিখিত নির্দেশ প্রয়োজন। এরপর আর বিষয়টি এগোয়নি।” তবে এই ঘটনায় তিনি এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ আগেই অস্বীকার করেছেন শেখর দেবনাথও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.