সেতু

পাকা সেতুর দীর্ঘদিনের দাবি অপূরণীয়, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি বাগদাবাসীর

প্রাণ হাতে বাঁশের সেতুর উপর দিয়ে নিত্য যাতায়াত গ্রামবাসীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯, ১৩:৪৮

options
link
পাকা সেতুর দীর্ঘদিনের দাবি অপূরণীয়, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি বাগদাবাসীর

নিজস্ব সংবাদদাতা,বনগাঁ: বাঁশের টুকরো জুড়ে তৈরি দীর্ঘ সেতু। তা দিয়েই দিনরাত্রি যাতায়াত মানুষের। দিনের পর দিন এভাবেই প্রাণ হাতে নিয়ে শহরে পৌঁছাতে হয় বাগদার মানুষজনকে। মাঝেমধ্যে প্রতিশ্রুতি মেলে পাকা সেতুর, তবে তা কার্যকরী হয় না। সেইসঙ্গে বেহাল গ্রামের একটি মাত্র রাস্তাও। তাই নির্বাচনের আগে পাকা সেতু ও রাস্তার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন স্থানীয়রা। দ্রুত সমস্যা না মিটলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। 

Advertisement

  [আরও পড়ুন: স্ত্রী ও সন্তানকে খুনের পর আত্মঘাতী যুবক, চাঞ্চল্য খাতড়ায়]

৬ মে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। বরাবরের মতো এই নির্বাচনের আগেও বিভিন্ন রাজনৈতি দলরে তরফে প্রচুর আশ্বাস মিলছে। তবে, স্থানীয় নেতা নেত্রীদের উপর আস্থা হারিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার হেলেঞ্চা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। তাঁদের কথায়, প্রতি ভোটের আগেই পাকা সেতু ও রাস্তার আশ্বাস দেন রাজনৈতিক দলের নেতা, কর্মীরা। কিন্তু ভোট মিটলেই যেই কি সেই। বিক্ষোভ, ভোট বয়কটের পথে হেঁটেও ফল মেলেনি বলেই অভিযোগ তাঁদের। জানা গিয়েছে, সড়ক পথে শহরে যেতে বাগদা থানার হেলেঞ্চা গ্রাম পঞ্চায়েতে বাসিন্দাদের দীর্ঘক্ষণ সময় লাগে। সেই রাস্তার অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ। তাই ঝক্কি এড়াতে তাঁদের একমাত্র উপায় বাঁশের সেতু। স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল হোক বা অন্য কোনও কাজ – এই সেতু দিয়েই হেলেঞ্চা গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণচন্দ্রপুর, হুদা, শিঙি গ্রামের বাসিন্দাদের পৌঁছাতে হয় শহরে। কিন্তু এই সেতু পারাপার অত্যন্ত বিপজ্জনক। যে কোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। তাই আতঙ্কেই দিন কাটান স্থানীয়রা। 

Advertisement

bridge

Advertisement

[আরও পড়ুন:  রক্তদান থেকে চারাগাছ বিতরণ, গতানুগতিকতা ভেঙে সন্তানের জন্মদিন উদযাপন দম্পতির]

আগামী ২৯ এপ্রিল বাগদায় নির্বাচনী প্রচারে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পর তাই এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাগদার বাসিন্দারা। স্থানীয় এক তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করি। দলের মিটিং-মিছিলে লোক নিয়ে যাই। কিন্তু আমরাই বঞ্চিত। তাই এবার দিদিকেই জানাবো সমস্যার কথা।’  তবে দ্রুত সমস্যা না মিটলে ফের ভোট বয়কটের পথেই হাঁটবেন বলে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.