Birbhum

আবাসের টাকায় বানিয়ে ফেলেছেন বাড়ি! হঠাৎ এল ফেরতের নোটিস, বিপাকে বীরভুমের আলেনুর

আলেনুরের দাবি, ভোটের আগেই আবাস যোজনায় তাঁর বাড়ির অনুমোদন হয়েছিল।

সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ১৫:১১

options
link
আবাসের টাকায় বানিয়ে ফেলেছেন বাড়ি! হঠাৎ এল ফেরতের নোটিস, বিপাকে বীরভুমের আলেনুর
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

একদিকে মাথার উপর পাকা ছাদের স্বপ্ন, অন্যদিকে সেই স্বপ্নের জন্য পাওয়া সরকারি টাকাই ফেরত দেওয়ার নির্দেশ। বাংলার আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ফেরতের নোটিস হাতে পেয়ে এমনই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে দুবরাজপুর ব্লকের লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা আলেনুর ও তাঁর পরিবারের।

Advertisement

আলেনুরের দাবি, ভোটের আগেই আবাস যোজনায় তাঁর বাড়ির অনুমোদন হয়েছিল। সরকারি নিয়ম মেনেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা আসার পর সেই অর্থ দিয়ে বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন তিনি। ইতিমধ্যে বাড়ির দেওয়াল তোলা এবং ছাদ দেওয়ার কাজও হয়েছে।

সম্প্রতি দুবরাজপুরের বিডিও অফিস থেকে আলেনুরের নামে একটি নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলার আবাস যোজনায় তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা জমা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী যাচাইয়ে প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি যোগ্য নন বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। ফলে ওই অর্থ দ্রুত ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের দফতরে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা ফেরত না দিলে আইনানুগ পদক্ষেপের কথাও নোটিসে উল্লেখ রয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই নির্দেশ ঘিরেই তৈরি হয়েছে মূল জটিলতা। আলেনুরের দাবি, ভোটের আগেই আবাস যোজনায় তাঁর বাড়ির অনুমোদন হয়েছিল। সরকারি নিয়ম মেনেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা আসার পর সেই অর্থ দিয়ে বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন তিনি। ইতিমধ্যে বাড়ির দেওয়াল তোলা এবং ছাদ দেওয়ার কাজও হয়েছে। অর্থের অভাবে বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ। এর মধ্যেই এই নোটিস আসতেই চিন্তার ভাঁজ আলেনুরের পরিবারে। এই প্রসঙ্গে পরিবারের বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় আলেনুরের নাম বাদ পড়ে যায়। তাঁদের অভিযোগ, পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে এবং তাঁরা ভোটও দিয়েছেন। প্রশাসনিক কোনও ভুলের কারণে আলেনুরের নাম বাদ পড়লেও তার দায় কেন উপভোক্তাকে নিতে হবে, সেই প্রশ্নই তুলছেন তাঁরা। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের পক্ষে ইতিমধ্যে নির্মাণে খরচ হয়ে যাওয়া ৬০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া কার্যত অসম্ভব বলে দাবি পরিবারের। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে তাঁরা ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.