Kalyani JNM Hospital

ডাল নাকি হলুদ জল! বহুদিন বন্ধ মাছ-মাংস, কল্যাণী জেএনএমে সারপ্রাইজ ভিজিটে থ বিজেপি বিধায়ক

মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিটে যান কল্যাণীর বিধায়ক অনুপম বিশ্বাস। তখনই উঠে আসে দীর্ঘদিন ধরে পুষ্টিকর খাদ্য মাছ-মাংস বন্ধ। শৌচাগার ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
ডাল নাকি হলুদ জল! বহুদিন বন্ধ মাছ-মাংস, কল্যাণী জেএনএমে সারপ্রাইজ ভিজিটে থ বিজেপি বিধায়ক
ফাইল ছবি

হলুদ জল নাকি ডাল। জলে দুধ নাকি দুধে জল। কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ মাছ ও মাংস। রান্না ঘরে পড়ে শুকনো শাক। যতত্রত পড়ে আর্বজনা। বেডের তলায় ঘুরছে বিড়াল। রোগীদের ব্যবহারের শৌচালয়ের অবস্থা আরও খারাপ। মঙ্গলবার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে (Kalyani JNM Hospital) বিজেপি বিধায়ক অনুপম বিশ্বাসের সারপ্রাইজ ভিজিটে উঠে এল এমনই ছবি। সদ্য দায়িত্ব নেওয়া সুপার ধ্রুবজ্যোতি সরকার জানাচ্ছেন, তিনি কয়েকবার বিষয়টি উপর মহলে জানিয়েছেন কোনও লাভ হয়নি। হাসপাতালের এই চিত্র দেখে ক্ষুদ্ধ বিধায়ক জানিয়েছেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

নদিয়া জেলা ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের কাছে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ। এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন প্রচুর রোগী ভর্তি হন। হাসপাতালে মঙ্গলবার দুপুরে সারপ্রাইজ ভিজিটে যান কল্যাণীর বিধায়ক অনুপম বিশ্বাস। তখনই উঠে আসে
হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে পুষ্টিকর খাদ্য মাছ-মাংস বন্ধ। শৌচাগার ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না। বিধায়কের অভিযোগ, হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে ময়লা আবর্জনা। হাসপাতাল চত্বরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে কুকুর ও বিড়াল। রোগীদের খাবারের মান নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, রোগীদের দেওয়া দুধ ও ডাল এতটাই পাতলা যে তা খাবারের উপযুক্ত নয়। রান্নার কাজে যুক্ত এককর্মী বলেন, ” অনেক দিন ধরেই মাছ-মাংস বন্ধ। আমাদের যা দেওয়া হয়, তাই দিয়েই রান্না করি।”

Advertisement
BJP MLA angry over services at Kalyani JNM Hospital
হাসপাতাল পরিদর্শনে ক্যালাণীর বিজেপি বিধায়ক। নিজস্ব চিত্র।

এ ছাড়াও হাসপাতালের শৌচাগার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “বাথরুমের যা অবস্থা, সাধারণ মানুষ সেখানে ঢুকতেই ভয় পাচ্ছেন।” কটাক্ষ করে অনুপম বিশ্বাস বলেন, “আমি আসছি শুনে যেটুকু পরিষ্কার করেছে, তারপরও যা নোংরা দেখলাম তাতে আমি হতবাক। পুরো বিষয়টি উপরমহলে জানাব। এরপর যা ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।” এই অভিযোগ কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন,হাসপাতালের সুপার ডক্টর ধ্রুবজ্যোতি সরকার। তিনি জানিয়েছেন,তাঁর একার পক্ষে প্রতিদিন পুরো হাসপাতাল ঘুরে দেখা সম্ভব নয়। যাঁরা দায়িত্বে আছেন তাঁরা ঠিক করে কাজ করলে এই অবস্থা হয় না। সুপার বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার সময় থেকেই বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উপর মহলে বিষয়টি জানিয়েছিলাম কর্ণপাত করা হয়নি।” হাসপাতালে খাবার মান নিয়ে তিনি বলেন, ““বিষয়টি আমার নজরে এসেছিল। আমি ছবি তুলে উপরমহলে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.