Tulu Mondal

নকল ডিসিআরের কারিগর! টুলু মামলায় পুলিশের জালে বিএলআরও দপ্তরের ক্যাশিয়ার-সহ ২

বৃহস্পতিবার সিউড়ি আদালতে এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ভূমি সংস্কার দফতরের কর্মী বিশ্বজিৎ সাহা এবং টুলুর ম্যানেজার কওসর আলিকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন এসিজেএম।

সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ২০:২৪

options
link
নকল ডিসিআরের কারিগর! টুলু মামলায় পুলিশের জালে বিএলআরও দপ্তরের ক্যাশিয়ার-সহ ২
ধৃত BLRO অফিসের কর্মী বিশ্বজিৎ সাহা এবং টুলুর ম্যানেজার কওসর আলি।

সরকারি নথির নম্বর থেকে শুরু করে ছাপ-সবকিছুই যদি হয় আসলের মতো, তা হলে নকল আর আসলের তফাত বোঝা দায়। বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলকে (Tulu Mondal) ঘিরে ডিসিআর জালিয়াতির মামলায় এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে তেলগি-কাণ্ডের প্রসঙ্গ টানলেন আনলেন সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সিউড়ি আদালতে এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ভূমি সংস্কার দফতরের কর্মী বিশ্বজিৎ সাহা এবং টুলুর ম্যানেজার কওসর আলিকে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে দু’জনকেই পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন এসিজেএম।

Advertisement

পুলিশ ও আদালত সূত্রের খবর, মহম্মদবাজারের ভূমি সংস্কার দফতরে কর্মরত বিশ্বজিতের দায়িত্বের মধ্যেই ছিল পাথর থেকে রাজস্ব আদায়ের আসল ডিসিআর বই সরবরাহ। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই সরকারি বই টুলুর কর্মীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হত। এমনকি সরকারি রেজিস্টারে তাঁদের দিয়ে স্বাক্ষর করানোর ক্ষেত্রেও নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ। পরে সেই আসল ডিসিআরের নম্বর অনুসরণ করেই তৈরি হত নকল বই, এমনটাই দাবি পুলিশের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বীরভূমের মামলায় অবশ্য এখনও তদন্ত চলছে এবং আদালতে ওঠা অভিযোগের সত্যতা বিচারাধীন। পুলিশের দাবি, বিশ্বজিতের কাছ থেকেই কওসর আসল ডিসিআর বই সংগ্রহ করতেন। এরপর তার নম্বর ব্যবহার করে জাল নথি তৈরির অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, গ্রেপ্তারের আগে দু’জনকেই একাধিকবার থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। কওসর টুলুর ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত কাজকর্মও দেখভাল করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁর কাছ থেকে কয়েকটি চেকবই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Advertisement

যদিও ধৃতদের আইনজীবীদের পাল্টা দাবি, তদন্তে মূল মাথাদের আড়াল করে নীচুতলার কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বিশ্বজিতের আইনজীবী সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের নির্দেশেই তাঁর মক্কেল কাজ করেছিলেন। সেই আধিকারিকদের কাছ পর্যন্ত তদন্ত পৌঁছচ্ছে না বলেও আদালতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ফলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে দুই ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই নকল ডিসিআর তৈরির গোটা ‘চক্রের’ কতটা হদিস মেলে, এখন সেটাই নজরে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.