বাড়ি ও আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখলে মিলবে নগদ পুরস্কার

ডেঙ্গু প্রতিরোধী অভিনব উদ্যোগ দক্ষিণ দমদম পুরসভার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১৪:০১

options
link
বাড়ি ও আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখলে মিলবে নগদ পুরস্কার

কলহার মুখোপাধ্যায়:  ‘আমার শহর, আমার বাড়ি’ শীর্ষক একটি প্রকল্প শুরু করতে চলেছে দক্ষিণ দমদম পুরসভা। যে প্রকল্পে পুরনাগরিকরা তাঁদের বাড়ি ও সংলগ্ন এলাকা সাফসুতরো রাখলে মোটা অর্থের পুরস্কার পাবেন।ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রুখতে এই প্রকল্প বড় ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

[ সিগন্যালে দাঁড়িয়ে ট্রেন, অসংরক্ষিত কামরায় প্রসব যাত্রীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত কয়েক বছরে ডেঙ্গু আটকাতে কিনা করেছে দক্ষিণ দমদম পুরসভা। বছরের শুরু থেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধের কাজ শুরু করা হয়েছে। নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত প্রচার অভিযান চালানো হয়। এমনকী বাড়িতে অরক্ষিত অবস্থায় জল জমালে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে হোর্ডিংয়ে নাম উল্লেখ করে তা পাড়ার মোড়ে টাঙিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও করেছে পুর কর্তৃপক্ষ। জরিমানার ব্যবস্থাও রয়েছে। এত কিছুর পর অবশ্য গত বছর থেকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সফলতা এসেছে। এখন থেকে নিজের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে নগদ পুরষ্কার ঘোষণাও ডেঙ্গু প্রতিরোধে উল্লেখজনক ভূমিকা নেবে বলে আশাপ্রকাশ করছে পুর কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ দমদমের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল  প্রদীপ মজুমদার পুসভার বাজেট পেশ করার সময় ‘আমার শহর, আমার বাড়ি’ প্রকল্পের প্রস্তাব দেন। বাজেটে এই খাতে অনধিক ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দও করেন। তিনি জানিয়েছেন, “প্রতিটি পুর নাগরিক এই প্রকল্পে অংশ নিতে পারবেন। বেশ কয়েকটি দিক খতিয়ে দেখে পুরস্কারের অর্থমূল্য তুলে দেওয়া হবে। এপ্রিল থেকে নজরদারির কাজ শুরু হবে। বর্ষার সময় কে কেমন ভূমিকা নেন তা দেখে পুরস্কৃত করা হবে।”

Advertisement

কিন্তু  ‘আমার শহর, আমার বাড়ি’ প্রকল্পে পুরস্কার জিততে গেলে পুর নাগরিকদের কী করতে হবে? পুরসভা সূত্রে খবর, নিজের বাড়ি এবং তার চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখাটাই প্রধান বিবেচ্য বিষয়। আরও বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর জোর দেবে পুরসভা। যার অন্যতম, জল জমতে না দেওয়া, বেআইনি প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ বর্জন ও এলাকার জলাভূমিকে পরিষ্কার রাখার উদ্যোগ। যদি জলাশয় সংস্কারের উপযোগী হয়ে থাকে, তাহলে সেই খবর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পুর আধিকারিকদের জানাতে হবে। এই কাজগুলি ধারাবাহিকভাবে করলে কপালে জুটতে পারে মোটা অঙ্কের পুরস্কারমূল্য। নাগরিকরা কী কাজ করছেন তা দেখার জন্য পুরকর্মী এবং আধিকারিকরা নিয়মিত টহলদারির কাজ করবেন। উল্লেখজনক ভূমিকা নেবেন ওয়ার্ড সর্দাররা। 

[পার্বতীর মতো বউ পেতে শিবরাত্রিতে বিশেষ পুজো পুরুষদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.