Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Congress

‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের

বিজেপিকে হারানো নিয়ে বারবার তৃণমূলের কটাক্ষ শুনতে হয়েছে কংগ্রেসকে। শহরে এসে সেই তৃণমূলকেই এবার কটাক্ষ করলেন এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেনুগোপাল।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ০০:২১

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ০০:২১

options
link
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের zoom
দলের নেতা-কর্মীদের একজোট হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন বেনুগোপাল।
Advertisement

বিজেপিকে হারানো নিয়ে বারবার তৃণমূলের কটাক্ষ শুনতে হয়েছে কংগ্রেসকে। শহরে এসে সেই তৃণমূলকেই এবার কটাক্ষ করলেন এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেনুগোপাল। তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান অবস্থা দেখিয়েই এআইসিসির সাধারণ সম্পাদকের কটাক্ষ, এই তৃণমূলের আর ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই।

দলের প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, দীপা দাশমুন্সীদের উপস্থিতিতে তাঁর বক্তব্য, “তৃণমূল মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাদের আর সেই শক্তি নেই। বিজেপির সঙ্গে লড়াই করতে কংগ্রেসকেই রাস্তায় নামতে হবে।” পরপর দুই দফায় প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক আর পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্যদের নিয়ে সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তর বিধান ভবনে বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই স্পষ্ট করে দেন, “কংগ্রেসকে রাস্তায় নামতে হবে, সংঘর্ষ করতে হবে। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই এবার যা সেটা আমাদেরই। তৃণমূল আর পারবে না।” আগামী দিনেও একা লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন। এর মধ্যে কংগ্রেসে যোগদানের অসংখ্য আবেদন আসছে। বেনুগোপাল বলেছেন, সকলের জন্য দরজা খোলা। তবে যে কোনও দলেরই কর্মীদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

Advertisement

এরই প্রেক্ষিতে দলের রাজ্যভিত্তিক সংগঠন সাজাতে একগুচ্ছ কর্মসূচি দিয়েছেন বেণুগোপাল। জানিয়েছেন, রাজ্যজুড়ে সংগঠন লোকসভা ধরেই ভাগ করা হবে। আগামী দিনে বিধানসভাভিত্তিক ডিলিমিটেশনকে মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁর ব্যাখ্যা, লোকসভাভিত্তিক সংগঠন ভাগ হলে সেখানে আরও বেশি নেতৃত্ব আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছতে পারবে। এছাড়া ২১ জুলাইয়ের শহিদ তর্পনের কর্মসূচি ভাল করে করার কথা বলেছেন। সেই সমাবেশে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে চাইছে প্রদেশ নেতৃত্ব।

‘ছাত্র কী গুঞ্জ’ নামে একটি কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে মাসব্যাপী। তাতে নিট, টেট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ১ আগস্ট বাংলায় বড় কর্মসূচি হবে, ৯ আগস্ট হবে দিল্লিতে। তাতে প্রত্যেক জেলা থেকে ১০০ জন করে ছাত্র-যুবর জমায়েত চেয়েছেন বেনুগোপাল। আজ, মঙ্গলবার সকালে মৌলালি যুবকেন্দ্রে নির্বাচনে প্রার্থীদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করবেন বেনুগোপাল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.