সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং (Sabang)। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া প্রায় ২০টিরও বেশি মোটর বাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সভাতে যোগ দেওয়া দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। যদিও গেরুয়া শিবিরের তরফে অভিযোগ নস্যাৎ করা হয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল? তৃণমূলের দাবি, শুক্রবার রাতে আটটা-সাড়ে আটটা নাগাদ বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক সবংয়ের ১১ নম্বর মোহাড় এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বিজেপি কর্মীরা তাঁদের উপর হামলা চালায়। ওই বিজেপি কর্মীরা ময়নায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) সভা থেকে ফেরার পথে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে বলেও অভিযোগ। পুড়িয়ে দেওয়া হয় দলীয় কার্যালয়। এছাড়া দলীয় কার্যালয়ের আশেপাশে থাকা ২০টিরও বেশি বাইকে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। বাধা দিতে যান তৃণমূল (TMC) কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই কমপক্ষে ৫ জন জখম হন। তাঁরা বর্তমানে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি।
[আরও পড়ুন: মানভঞ্জনের চেষ্টা বৃথা, দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দায়িত্ব ছাড়লেন ‘অপমানিত’ তৃণমূল বিধায়ক]
যদিও বিজেপির (BJP) তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে আগুন লাগায়নি কিংবা হামলা চালায়নি বলেই পালটা দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরাই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালায়। মারধরও করে। তাতে বেশ কয়েকজন অল্পবিস্তর জখমও হয়েছেন।
এই ঘটনার পর থেকে চলছে অভিযোগ-পালটা অভিযোগের পালা। থমথমে সবংয়ের ১১ নম্বর মোহাড় এলাকা। তবে নতুন করে যাতে আর কোনও অশান্তি না হয় তাই এলাকাজুড়ে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: সাতদিনের লড়াই শেষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যুতে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন রেলকর্মীরা]
সর্বশেষ খবর
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?
-
দাড়িভিটে নিহত ছাত্রদের সম্মান জানাতে উদ্যোগী এবিভিপি, ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবস পালনের ডাক
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের