CM Suvendu Adhikari

বন্যায় সবংয়েই ভেঙেছে ৩২০০ বাড়ি! সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার দুপুরে আকাশপথে সবং ভগবানপুর, পটাশপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১৫:১৩

options
link
বন্যায় সবংয়েই ভেঙেছে ৩২০০ বাড়ি! সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
২০ আগস্ট, বৃহস্পতিবার। আকাশপথে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজস্ব ছবি।

পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যা কবলিত বিস্তীর্ণ এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার দুপুরে সবংয়ে গিয়ে হেলিকপ্টারে চেপে সবং, ভগবানপুর, পটাশপুরের বিভিন্ন এলাকা খতিয়ে দেখেন। তিনি জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতির কারণে সবংয়ে ৩২০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। এছাড়া বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক নির্দেশ দেন তিনি।

Advertisement

বৃহস্পতিবার দুপুরে আকাশপথে সবং ভগবানপুর, পটাশপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কেলেঘাই নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছিল। তা বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এদিন সবং-সহ বন্যা কবলিত এলাকার বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। এলাকায় ১০ জনকে সাপে কামড়েছে। সকলকে বাঁচিয়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। জলবন্দি এলাকার মানুষদের রেশন ও পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ারও নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গোটা জেলার সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, পিএইচই দপ্তরের আধিকারিক ও জেলার সব বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজেশ মাহাতোকে পশ্চিম মেদিনীপুরের বন্যা পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানোর দায়িত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

শুভেন্দু বলেন, “এলাকার মানুষজন বলছিলেন, ১৯৮৬ সালে জ্যোতি বসু এখানে এসেছিলেন। তারপরে এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী এখানে এল। কী করা যাবে, আগের মুখ্যমন্ত্রীরা গ্রামের মানুষকে মানুষ বলে মনে করতেন না। আর আমার সঙ্গে গ্রামের মানুষের নাড়ির টান। গ্রামেই আমার শুরু, গ্রামেই শেষ।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.