DM Bungalow

জনপথের জন্য জমি দিয়ে মেলেনি টাকা, জেলাশাসকের বাংলো ‘ক্রোকে’র নির্দেশ আদালতের

ক্রোকের পর বাংলো নিলাম করার জন্য বাজারদর জানতে আদালতের নাজিরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৪, ২১:২৩

options
link
জনপথের জন্য জমি দিয়ে মেলেনি টাকা, জেলাশাসকের বাংলো ‘ক্রোকে’র নির্দেশ আদালতের
প্রতীকী ছবি

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে জমি অধিগ্রহণ করলেও দাম মেটানো হয়নি মালিককে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের পুরো বাংলো ‘ক্রোক’ করার নির্দেশ দিল বর্ধমান আদালত। বর্ধমান শহরের সাধনপুর এলাকায় থাকা বাংলো ক্রোক করার নির্দেশ কার্যকর করতে জেলা আদালতের নাজিরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশ দিয়েছেন বিচারক। ক্রোকের পর বাংলো নিলাম করার জন্য বাজারদর জানতে নাজিরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ক্রোক প্রক্রিয়া কার্যকর করতে কতজন পুলিশ প্রয়োজন তা জানিয়ে ১৯ জুলাই আদালতে নাজিরকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন বর্ধমানের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক বিশ্বরূপ শেঠ।

Advertisement

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বতন ২ নম্বর (অধুনা ১৯ নম্বর) জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ২০০৩ সালে জমি অধিগ্রহণ করে রাজ্য সরকার। পশ্চিম বর্ধমানের (তৎকলীন বর্ধমান জেলা) কাঠপুকুর মৌজায় কলকাতার সরশুনা থানার হো-চি-মিন সরণির বাসিন্দা সুশান্ত কুমার গোস্বামীর ০.৪১ একর জমি অধিগ্রহণ করে সরকার। জমির মূল্য স্থির হয় ২৬ লক্ষ ৭৬ হাজার ২৪০ টাকা। যদিও সরকার সেই টাকা মেটায়নি। প্রশাসনিক মহলে বারবার জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় তিনি ২০১৩ সালে আদালতে মামলা করেন। আদালত জমির মূল্য বাবদ ৫৪ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা মিটিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ জমির মালিককে প্রাপ্য টাকা মেটায়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মাদক খেয়ে উদ্দাম যৌনলীলা! মিলনের ‘আজব’ পরীক্ষায় প্রাণ গেল যুবতীর]

২০১৫ সালে ফের আদালতের দ্বারস্থ হন জমির মালিক। সেই থেকে মামলাটি বর্ধমানের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে চলছিল। এরই মধ্যে জমির মালিক মারা গেলে তিন ওয়ারিশ মিতালি গোস্বামী, পার্থসারথি গোস্বামী ও সিদ্ধার্থ গোস্বামী মামলাটি চালিয়ে যান। গত ১২ এপ্রিল আদালত জমির মূল্য বাবদ মালিককে ১ কোটি ৯৯ লক্ষ ৭০ হাজার ৭৯০ টাকা ১৭ মে-র মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার জন্য দিলেও সেটা মানা হয়নি।

Advertisement

এদিন মামলার শুনানির সময় গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) মুরারী মোহন কুমার আদালতে জানান, ১২ এপ্রিলের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিভিউ পিটিশন করতে আরও দুই মাস সময় চান। জমির মালিকের ছেলে সিদ্ধার্থ পেশায় আইনজীবী। তিনি নিজেই সওয়াল করেন। সরকার পক্ষের সময় চাওয়ার তীব্র আপত্তি করেন তিনি। বিচারক উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর জেলা শাসকের বাংলো ক্রোক করার নির্দেশ দেন বিচারক। সিদ্ধার্থ বলেন, “সরকার দীর্ঘদিন ধরে নানা অছিলায় জমির দাম মেটাচ্ছিল না। আমি আইন জানি বলে কীভাবে রায় কার্যকর করতে হয় তা জানা আছে।” জিপি জানান, সরকারের তরফে হাই কোর্টে রিভিউ পিটিশন করার কথা বলে সময় চাওয়া হয়। এনিয়ে দুপক্ষের শুনানি হয়। তবে, আদালত কি নির্দেশ দিয়েছে তা না দেখে বলতে পারবে না বলে জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: অনুরাগ কাশ্যপের ছবিতে ঋদ্ধি সেন, ফের বলিউড সিনেমায় অভিনেতা!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.