Diamond Harbour

ডায়মন্ড হারবারে বাঁধের পাশের রাস্তায় ফাটল, বিঘ্নিত বকখালি রুটে যান চলাচল

বছরখানেক আগে ওই একই জায়গায় নদীবাঁধে ধস নেমেছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২০, ১৪:১১

options
link
ডায়মন্ড হারবারে বাঁধের পাশের রাস্তায় ফাটল, বিঘ্নিত বকখালি রুটে যান চলাচল

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: নদীর বাঁধে ফাটলের জেরে জাতীয় সড়কে বন্ধ যান চলাচল। রবিবার রাতেই  ডায়মন্ড হারবারে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে হুগলি নদীর বাঁধে বড়সড় ফাটল দেখে দেয়। ফলে ডায়মন্ডহারবার-বকখালি রুটের যাত্রী পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, বছরখানেক আগে ওই একই জায়গায় নদীবাঁধে ধস নেমেছিল। সেসময় প্রায় তিন মাস জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। একই এলাকায় নতুন করে ফাটল দেখা দেওয়ায় উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। যদিও ডায়মন্ড হারবার মহকুমা প্রশাসন জানিয়েছে, ফাটল বিপজ্জনক নয়। জরুরিকালীন তৎপরতায় মেরামতির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করা হয়েছে। মেরামতির কাজের জন্যই জাতীয় সড়ক আপাতত বন্ধ রেখে বাইপাস দিয়ে গাড়ি চলাচল করানো হচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

[আরও পড়ুন : চোপড়া কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত মৃত? নয়ানজুলি থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের দেহ ঘিরে ধন্দ]

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবছর ১ আগস্ট জাতীয় সড়কের নদীবাঁধে প্রায় ১০০ ফুট এলাকা জুড়ে ধস নেমেছিল। সেই সময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ডায়মন্ডহারবার-কাকদ্বীপ রোড। সেচ ও পূর্ত দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে স্থায়ীভাবে জাতীয় সড়ক মেরামতের কাজ শেষ হয়। কিন্তু বোল্ডার ফেলে স্থায়ী নদীবাঁধ মেরামতের কাজ এখনও চলছে। এর মধ্যেই নতুন করে বিপর্যয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা। এদিকে নদীবাঁধের পাশেই জাতীয় সড়কের ফাটলের ছবি তুলতে প্রথমে সংবাদমাধ্যমকে বাধা দেওয়া হয়।
জাতীয় সড়ক নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যান চলাচল আবার কবে স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে এখনই কিছু জানাতে পারেনি মহকুমা প্রশাসন। জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় কলকাতা মুখী গাড়িগুলিকে অস্থায়ীভাবে আপাতত হটুগঞ্জ-ডায়মন্ড হারবার স্টেশন বাজার বাইপাস দিয়ে চালানো হচ্ছে।

[আরও পড়ুন : সংক্রমণের আশঙ্কায় বাধা স্থানীয়দের, পুলিশের সাহায্যে বাড়িতে ঢুকলেন ‘করোনা যোদ্ধা’ বিডিও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.