গ্যাস সরবরাহে টান পড়ার প্রভাব পড়ল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে। গ্যাস সংকটের জেরে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদের পরিমাণ সাময়িকভাবে কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্যাসের সীমিত মজুত থাকায় আপাতত আগের তুলনায় অনেক কম সংখ্যক ভক্তের জন্য প্রসাদ প্রস্তুত করা হচ্ছে। আগে যেখানে দৈনিক ১০০০ – ১২০০ জন ভক্তকে প্রসাদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা ছিল। গ্যাস সংকটের কারণে তা কমিয়ে ২০০ – ২৫০ জনের করা হচ্ছে। তাছাড়া জগন্নাথদেবের ভোগ রান্নাতে কোন ছেদ পড়ছে না। গ্যাস সরবরাহ না হলে বিকল্প হিসেবে কাঠের উনুনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
দিঘা জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য রাধারমণ দাস জানিয়েছেন, বর্তমানে মন্দিরে যে গ্যাস মজুত ছিল তা ব্যবহার করেই প্রভুর ভোগ প্রস্তুত করা হচ্ছে। পাশাপাশি কাঠের সাহায্যেও রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে নিয়ম মেনে দৈনন্দিন ভোগ বন্ধ না হয়। আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১০০০ থেকে ১২০০ জন ভক্তের জন্য প্রসাদ তৈরি করা হত, সেখানে এখন পরিস্থিতির কারণে মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ জনের জন্য প্রসাদ প্রস্তুত করা হচ্ছে। গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই আবার আগের মত প্রসাদের পরিমাণ বাড়ানো হবে।
পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, শংকরপুর, মন্দারমণি, তাজপুর পর্যটনকেন্দ্রে প্রভাব পড়েছে। কোন পথে পর্যটন চলবে তাই ভাবাচ্ছে এখন হোটেল মালিকদের। জেলার শিল্পতালুক হলদিয়াতে গ্যাস রিফিলিং নিয়ে শঙ্কিত প্ল্যান্টগুলিও। দিঘা শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, “গ্যাস রিফিলিং যদি না হয়, আর গ্যাস যদি না আসে তাহলে পর্যটন ব্যবসায় বিরাট প্রভাব পড়বে। দিঘায় তো পর্যটকদের নিয়ে ব্যবসা। সেইটাই যদি না হয় তাহলে আমাদের কী হবে? তবে এখনও দিঘায় প্রভাব সেভাবে পড়েনি। তবে সংকটজনক এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঢাকা হত সিসিটিভি, শৌচাগারে লুকনো টাকা! রাম মন্দিরে ‘চুরি’র নীল নকশায় তাজ্জব তদন্তকারীরা
-
‘দ্বিতীয়বার আসতে হলে ভালো হবে না’, মাফিয়ারাজ রুখতে পুলিশকে কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী শঙ্করের
-
মেঘ-বৃষ্টির পাহাড়ে রোমাঞ্চের হাতছানি, টিকিট কাটার আগে এই ভুল করলেই বিপদ!
-
জমি জেহাদ থেকে ধর্মান্তকরণে নতুন আইন, ‘হিন্দু হোমল্যান্ড’ রক্ষায় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
পেটে লাথি মেরে দেব! সিএবি নির্বাচনে তৃণমূল নেতার ‘হুমকি’, এবার ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ আরেক জেলার