এসআইআরের সময় বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল দিলীপ ঘোষের(Dilip Ghosh)। আজ বুধবার সকালে জয়দেব-কেন্দুলির মকর স্নানের আগে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের বিজেপি কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও রাজ্যের প্রাক্তন সভাপতি। সেখানেই তিনি এহেন মন্তব্য করেন। বলেন, ”যতক্ষণ না সব অভিযোগ (ফর্ম ৭) পড়ছে, ততক্ষণ এসআইআর চলুক।” পাশাপাশি একাধিক ইস্যুতে রাজ্য প্রশাসন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকেও একহাত নেন দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুন:
শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরই বঙ্গ বিজেপিতে ফের প্রাসঙ্গিক দিলীপ ঘোষ। বুধবার বীরভূমের জয়দেব – কেন্দুলির মকর মেলায় যোগ দেন তিনি। তার আগে সকালে দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার শিবাজী পার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসআইআরের সময় বাড়ানো নিয়ে দাপুটে এই বিজেপি নেতা বলেন, “১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযোগ অর্থাৎ ফর্ম ৭ জমা দেওয়ার সময় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আমরা জানি এখনও বহু নাম আছে যা বিতর্কিত, নথি নেই। আমাদের যদি এই নিয়ে অভিযোগ করতে না দেয় বা নেয় তাহলে এসআইআরের মানে কী? জোর করে নাম ঢোকানো হচ্ছে। কমিশনের নির্দেশ মানছে না রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা। এটা করে লাভ নেই। তাহলে সময় বাড়ানো হোক। সব অভিযোগ যতক্ষণ না আসছে ততক্ষণ যেন এসআইআর চলতে থাকে। না হল এসআইআরের মুল্য নেই। কমিশন এটা ভাবুন।” বিএলওদের ভয়হীন ভাবে কাজ করারও পরামর্শ দেন দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুন:
বলে রাখা প্রয়োজন, মঙ্গলবারই বাংলায় চলা এসআইআর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর হুঁশিয়ারি, এভাবে এসআইআর হলে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না। এসআইআর প্রক্রিয়াকে কার্যত ‘অর্থহীন’ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এমনকী জ্ঞানেশ কুমারকে বাংলায় আসার কথাও বলেন শমীক ভট্টাচার্য।
তিনি বলেন, ‘‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বলছি, দিল্লিতে বসে থেকে হবে না। আপনি পশ্চিমবঙ্গে আসুন। এখানে থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ভাবে শেষ হওয়া নিশ্চিত করুন।’’ এরপরেই এদিন দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে তৃণমূল ও মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে এদিন দিলীপ বলেন, ”পুলিশ কাজ করলে তৃণমূলের কেউ বাইরে থাকবে না। জেলে যেতে হবে। চোর ডাকাত না হলে টিএমসি করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রীকেও জেলে যেতে হবে। উনি তো ফাইল চুরি করে পালিয়েছেন। ছিনতাই করেছেন উনি ইডির কাজ থেকে। ডাকাতি কেস হওয়া উচিত ওনার আর ওনার অফিসারদের বিরুদ্ধে।”
আইএসএফের সঙ্গে জোট হবে না ওরা তৃণমূলের সঙ্গে জোট করবে হুমায়ুন কবিরের এই মন্তব্য নিয়ে দিলীপ পাল্টা বলেন,” আমি তো আগেই বলেছিলাম। তখন অনেকের খারাপ লেগেছিল। হুমায়ুন কবির নিজের কাজ নিজে করুন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তন চাইছে। উনি একজন সংখ্যালঘু প্রতিনিধি। দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ। উনি ওনাদের মধ্যে এই আশাটা আনুন যে পরিবর্তন সম্ভব। বাংলার মানুষ ওনার সঙ্গে থাকবে।”
প্রাতঃভ্রমণের পর তিনি আসেন কাঁকসার বিদবিহারের বিষ্ণুপুরে। সেখানে নারকেল ফাটিয়ে জয়দেব – কেন্দুলির মকর মেলায় পুণ্যার্থীদের জন্যে বিজেপির স্বাগত গেট উদ্বোধন করেন। এরপর দিলীপ ঘোষ বীরভূমের জয়দেবে যান মকড় স্নান ও উৎসবে যোগ দিতে।
সর্বশেষ খবর
-
‘কালো হিরে’র হ্যাটট্রিকে স্বমহিমায় ফরাসি বিপ্লব, নরওয়েকে গোলের মালা ফ্রান্সের
-
কন্ডোম-খাট-বালিশ, বিধাননগরে তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিস যেন হোটেল! দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী
-
‘কী করে ওকে বলব…?’ ভূমিকম্পে মেয়ের প্রাণ বাঁচিয়ে মৃত স্ত্রী, ভেঙে পড়লেন ভেনেজুয়েলার ফুটবলার
-
‘মুসলমানদের নিয়ে স্যাটাভাঙা মার’! জনসভায় বেনজির হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের
-
সন্তানের কান্নায় অতিষ্ঠ, ধারালো অস্ত্রের কোপে ৬ মাসের শিশুকন্যাকে গলা কেটে খুন মা’র!