সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের দলবদল। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। বৃহস্পতিবার বহরমপুরের টেক্সটাইল মোড়ে এক জনসভায় তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন দলের চেয়ারম্যান সুব্রত সাহা। হুমায়ুন কবীর বলেন, “আমি তৃণমূল দলটাই এবার করতে চাই। যতদিন বাঁচবো ততদিন তৃণমূল দলে থাকব।”
গত ২০১১ সালে কংগ্রেসের টিকিটে রেজিনগর থেকে বিধায়ক হন। এরপর হাত শিবিরের মনোমালিন্য হয় তাঁর। কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন হুমায়ুন কবীর। ২০১২ সালের নভেম্বরে তিনি ঘাসফুল শিবির অর্থাৎ তৃণমূলে যোগ দেন। মন্ত্রিত্বও পান তিনি। এরপর উপ নির্বাচনে রেজিনগর থেকে হেরে যান তিনি। মন্ত্রিত্ব পদ চলে যায় তাঁর। সেই সময় তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ সামলাতেন তিনি। তবে সেখানেও একই সমস্যা। তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয় তাঁর। তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয় হুমায়ুন কবীরকে।
[আরও পড়ুন: বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি থামাতে পালটা করোনা সচেতনতার রেকর্ডিং বাজাল পুলিশ]
তাতে অবশ্য দমার পাত্র নন তিনি। সে বছর বিধানসভা নির্বাচনে রেজিনগর থেকে নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়াই করেন তিনি। প্রায় ৭৪ হাজার ভোট পান। যদিও কংগ্রেসের প্রার্থীর কাছে সামান্য ব্যবধানে হার মানতে হয় তাঁকে। এরপর আবার তিনি কংগ্রেসে ফেরেন। তবে লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের দলবদল করেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থীও হন। তিনি ভোট পান প্রায় আড়াই লক্ষ।
কিন্তু আচমকাই এনআরসি ইস্যু সামনে আসে। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। সেই সময় গেরুয়া শিবির ছাড়ার কথা জানান হুমায়ুন কবীর। এরপর বৃহস্পতিবার ফের তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। যোগদানের পর তিনি বলেন, “আমি তৃণমূল দলটাই এবার করতে চাই। যতদিন বাঁচবো ততদিন তৃণমূল দলে থাকব।”
[আরও পড়ুন: রাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় কাজে লেগেছে ঠাকুরবাড়ির মাটি ও জল? তুঙ্গে মমতাবালা-শান্তনু তরজা]
সর্বশেষ খবর
-
‘গভীর রাতে স্বামী আর ছেলের ফারাকই বুঝতে পারি না’, মারাত্মক বিড়ম্বনায় ফারহা
-
শুটিং ফ্লোরে দেবের ‘দাদাগিরি’, টিমের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে নতুন ‘দাদা’ লিখলেন…
-
দেশের এই মন্দিরে গেলেই সারে ডায়বেটিস, ভক্তদের বিশ্বাস, রোগ সারায় পিঁপড়েরা!
-
‘স্যাটা ভাঙা’ মারের হুমকি, হুমায়ুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের বিজেপি যুব মোর্চার
-
দেশঁর মায়ের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন এমবাপেরা, কোন যুক্তিতে নাকচ করল ফিফা?