Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরবাড়ি

রাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় কাজে লেগেছে ঠাকুরবাড়ির মাটি ও জল? তুঙ্গে মমতাবালা-শান্তনু তরজা

রাম মন্দির ইস্যু নিয়ে এবার উতপ্ত ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২০, ২২:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২০, ২২:১৬

options
link
রাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় কাজে লেগেছে ঠাকুরবাড়ির মাটি ও জল? তুঙ্গে মমতাবালা-শান্তনু তরজা zoom
Advertisement

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: রাম মন্দিরের (Ram mandir) ভূমিপুজো নিয়ে আপাতত সরগরম রাজনীতির অলিন্দ। এবার সেই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই তরজা শুরু হল ঠাকুরবাড়িতেও। কামনা সাগরের জল ও মাটি পাঠানোর নামে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ঐতিহ্যশালী ঠাকুরবাড়ির সম্মান নিয়ে খেলা করেছেন বলেই অভিযোগ মতুয়া সংঘাধিপতি মমতাবালা ঠাকুরের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শান্তনু ঠাকুর।

বৃহস্পতিবার বনগাঁর প্রাক্তন সাংসদ তথা সারা ভারত মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি মমতাবালা ঠাকুর বনগাঁর দেবগড় এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ওই সভামঞ্চ থেকে তিনি দাবি করেন, শান্তনু ঠাকুর রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর জন্য ঠাকুরবাড়ির পবিত্র কামনা সাগরের জল এবং মাটি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু জল, মাটি রাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় কাজে লাগানো হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। মমতাবালা ঠাকুরের দাবি, কামনা সাগরের জল ও মাটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রাক্তন সাংসদের দাবি, এভাবে আদতে ঠাকুরবাড়িকেই শান্তনু ঠাকুর অপমান করেছেন। কেন অপমান করলেন, তার জবাবও চেয়েছেন তিনি। এছাড়া শান্তনু ঠাকুরের বিরোধিতায় চতুর্দিকে বিক্ষোভ এবং তাঁর কুশপুত্তলিকা দাহ করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মমতাবালা ঠাকুর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বেলাগাম সংক্রমণ, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত তিন হাজার ছুঁইছুঁই]

যদিও শান্তনু ঠাকুর তাঁর দাবি মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “কামনা সাগরের জল এবং মাটি প্রত্যাখ্যান করা হয়নি। ভূমিপুজোর কাজে না লাগিয়ে ফেরত পাঠানো হলে তা আরএসএসের পক্ষ থেকে জানানো হত।” শান্তনু ঠাকুরের সুরেই সুর মিলিয়েছেন তাঁর দাদা তথা অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি সুব্রত ঠাকুরও। তিনি বলেন, “ঠাকুরবাড়ির মাটি এবং জল রাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় কাজে লাগানো হয়েছে। কোন রাজনৈতিক দল তার স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য গুজব রটাচ্ছে।” মমতাবালা ঠাকুরের বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তিনি যা বলেছেন তা তাঁর নিজস্ব মত। উনি কোন রাজনৈতিক দলের পদাধিকারী বলে হয়তো দলের চাপে এসব বলেছেন।” সব মিলিয়ে রাম মন্দির ইস্যু নিয়ে এবার উতপ্ত ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল।

[আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য বাস্তবায়িত হয়নি ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান, অভিযোগ সাংসদ দেবের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.