Hasirani Rath

তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য থেকে বিজেপি বিধায়ক হওয়ার দৌড়ে! চন্দ্রনাথের মা হাসিরানির যাত্রাপথ কতটা কঠিন?

প্রায় ২৮ বছর ধরে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৯:৩৭

options
link
তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য থেকে বিজেপি বিধায়ক হওয়ার দৌড়ে! চন্দ্রনাথের মা হাসিরানির যাত্রাপথ কতটা কঠিন?
নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ ও চন্দ্রনাথ রথ।

ইতিমধ্য়েই জল্পনায় সিলমোহর পড়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী করেছে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক অর্থাৎ প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানিকে। স্বাভাবিকভাবেই বিধায়ক পদের জন্য় তিনি কতটা উপযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। কিন্তু জানেন কি, প্রায় ২৮ বছর ধরে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি। পঞ্চায়েত সদস্যের দায়িত্বও পালন করেছেন। 

Advertisement

১৯৯৮ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ চণ্ডীপুরের বাসিন্দা হাসিরানি রথের। তৃণমূলের একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই জেলার নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল। তৃণমূল জমানায় পঞ্চায়েত সদস্যাও ছিলেন তিনি। ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলেছেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের সঙ্গে বাড়ে দূরত্ব। একটা সময়ের পর বিজেপিতে যোগ দেন হাসিরানি।

পূর্ব মেদিনীপুর মানেই অধিকারী পরিবারের গড়। একটা সময়ে পরিবারের সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। তৃণমূলের জন্মলগ্ন অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ চণ্ডীপুরের বাসিন্দা হাসিরানি রথের। তৃণমূলের একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই জেলার নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল। তৃণমূল জমানায় পঞ্চায়েত সদস্যাও ছিলেন তিনি। ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলেছেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের সঙ্গে বাড়ে দূরত্ব। একটা সময়ের পর বিজেপিতে যোগ দেন হাসিরানি। সেই সময়ও তৃণমূলেই ছিলেন শুভেন্দু। ২০২০ সালে শুভেন্দু বিজেপি যোগ দেওয়ার পর নতুন করে ফের যোগাযোগ স্থাপন হয়। সেই সময় থেকেই শুভেন্দুর আপ্ত সহায়কের দায়িত্বে চন্দ্রনাথ।  

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চন্দ্রনাথ খুন হওয়ার পর শুভেন্দু ছুটে গিয়েছিলেন তাঁর মায়ের কাছে। আশ্বাস দিয়েছিলেন পাশে থাকার। কাজেও তা করে দেখিয়েছেন। সর্বদা রথ পরিবারের পাশে থেকেছেন। এবার পঞ্চায়েত সদস্যা হাসিরানি বিধায়ক পদের দৌড়ে। তাও আবার নন্দীগ্রামের মতো আসনে। যেখানে বিজেপির জয় নিশ্চিত। এর নেপথ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর যে ভূমিকা আছে তা বলাই বাহুল্য। ঠিক শুভেন্দুর মতো করেই মনোনয়ন পেশের পরই হাসিরানি বলেছেন, “নন্দীগ্রামের কোনও কাজই বাকি থাকবে না। আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব যে নন্দীগ্রামকে কীভাবে খুশি করা যায়।”

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.