Drugs

মাদকদ্রব্যের স্তূপ! বর্ধমান থেকে উদ্ধার দেড় লক্ষ টাকারও বেশি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩

নোয়াপাড়া থেকেও ১০ গ্রাম গাঁজাসমেত গ্রেপ্তার ১।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২২, ১৫:৫৭

options
link
মাদকদ্রব্যের স্তূপ! বর্ধমান থেকে উদ্ধার দেড় লক্ষ টাকারও বেশি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩
ছবি: প্রতীকী

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ঘিরে শোরগোল পূর্ব বর্ধমানের (Purba Burdwan) লক্ষ্মীপুর মঠ এলাকায়। গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৪১ কিলোগ্রামেরও বেশি গাঁজা এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্য। গ্রেপ্তার হয়েছে ২ মহিলা-সহ তিনজন। আজ তাদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে হেফাজতের আবেদন জানাবে পুলিশ। তবে বর্ধমানের বুকে এত বিপুল পরিমাণ মাদকের স্তুপ দেখে তাজ্জব তদন্তকারীরা।

Advertisement

জেলায় প্রচুর পরিমাণ গাঁজা মজুত হচ্ছে পাচারের জন্য, বুধবার গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে গভীর রাতে পুলিশ হানা দেয় লক্ষ্মীপুর মঠ এলাকায়। সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটও ছিলেন। সেখানে গাঁজা ও অন্যান্য নেশার সামগ্রী দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় পুলিশের। বেআইনিভাবে এত পরিমাণ গাঁজা এখানে জমা হয়েছে! ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আজ বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া মাদকের (Drugs)পরিমাণ ৪১.২৫০ কেজি। বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকারও বেশি। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের নাম বিজয় দাস, মানা দাস ও গীতা পাসওয়ান। এদের বিরুদ্ধে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে। আজ আদালতে পেশ করা হবে। অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে চাইবে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: একাধিকবার তৃণমূলে যোগ দিতে চেয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ! চাঞ্চল্যকর দাবি সৌগত রায়ের]

অন্যদিকে, ১০ গ্রাম হেরোইন সমেত মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) নোয়াপাড়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম সুরজ সাউ ওরফে সূর্যা। বুধবার নোয়াপাড়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শ্যামনগর পিনকোল মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে তাকে। সূর্যার কাছ থেকে উদ্ধার করে কাছ থেকে দশ গ্রাম হেরোইন-সহ একটি আগ্নেয়াস্ত্র। ধৃতের বিরুদ্ধে NDPS এবং অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আমজনতার জন্য সুখবর, এবার চাল-ডাল ছাড়া অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও মিলবে রেশনে]

সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই হেরোইন হুগলির (Hooghly)ভদ্রেশ্বর থেকে আনা হতো এবং এখানে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হতো। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত, তার তদন্তে নেমেছে নোয়াপাড়া থানার পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.