জমির স্বত্ব পাবেন ছিটমহলবাসী, ৩ দিনের মধ্যে অর্ডিন্যান্সের নির্দেশ মমতার

কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ৬৮ বছর পর ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০১৮, ০৯:৩৮

options
link
জমির স্বত্ব পাবেন ছিটমহলবাসী, ৩ দিনের মধ্যে অর্ডিন্যান্সের নির্দেশ মমতার

বিক্রম রায়: সাবেক ছিটমহলবাসীদের জমির মালিকানার সমস্যা মিটতে চলেছে। দ্রুত পৌঁছে যাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানীয় জল-সহ বিভিন্ন পরিষেবাও। সোমবার কোচবিহার শহরে ‘উৎসব’ অডিটোরিয়ামে প্রশাসনিক বৈঠকে তিন দিনের মধ্যে অর্ডিন্যান্স জারি করে সাবেক ছিটমহলবাসীদের জমির অধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ৬৮ বছর পর ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়। সাবেক ছিটমহলবাসীদের সুযোগ সুবিধা নিয়ে কোনও রকম গাফিলতি যে তিনি বরদাস্ত করবেন না সেটা ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দেন এদিন। শুধুমাত্র জমির অধিকার প্রদান নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, পানীয় জল-সহ পরিষেবার যে সমস্ত বিষয় এখনও ঝুলে রয়েছে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

[টিটাগড়ে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতার মৃত্যু, এলাকায় উত্তেজনা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানতে চান, বিনিময়ের সময় যে চুক্তি হয় সেই মতো সাবেক ছিটমহলবাসীরা কী কী সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন? কেন তাঁদের এখনও পর্যন্ত জমির মালিকানা দেওয়া হয়নি? ভূমি সংস্কার দপ্তরের সচিব জানান, ইতিমধ্যে জমির সার্ভের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রায় ৬ হাজার ৯০০ একর জমির খসড়া সার্ভে করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। কার দখলে কত পরিমাণ জমি রয়েছে সেটাও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে পরবর্তী ধাপ এগোতে গেলে বিধানসভায় আইনের সংশোধনীর প্রয়োজন রয়েছে। এই কথা শোনার পরই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মানুষের কাজ আমেন্ডমেন্টের জন্য আটকে থাকবে এটা মেনে নেওয়া যায় না।” এরপরই তিনি নির্দেশ দেন, তিনদিনের মধ্যে অর্ডিন্যান্স জারি করে সাবেক ছিটমহলবাসীদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে হবে। তিনি এবং মুখ্যসচিব এখানেই রয়েছেন। তাই ফাইলে সই করিয়ে নিয়ে ওই ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পরবর্তীতে তা বিধানসভায় পাস করে নেওয়া হবে।

Advertisement

সাবেক ছিটমহলের জন্য দিনহাটা ২ এবং শীতলকুচি ব্লকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি করার কথা। সেটা এখনও হয়নি। এই তথ্য পেয়ে বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রী দুটি ব্লকের বিডিওদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সাবেক ছিটমহলবাসীর উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের যা টাকা দেওয়ার কথা ছিল সেটা আসেনি। কিন্তু উন্নয়নের কাজ থেমে নেই। রাজ্যের তরফে বাড়তি টাকা খরচ করে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

[স্বল্পসঞ্চয়ে আধার আর বাধ্যতামূলক নয়, নির্দেশিকা ডাক বিভাগের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.