CAA

‘অনুপ্রবেশের’ অভিযোগে জেল, মুক্তি পেয়েও বাংলাদেশে ফিরতে নারাজ, CAA-তে আবেদন

বাংলাদেশের হিংসার আতঙ্কে ভিসা নিয়ে এপারে এসেছিলেন তরুণী। বনগাঁ থানা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকছিলেন। ভিসার মেয়াদ ফুরোলেও তিনি দেশে ফিরে যাননি। শেষপর্যন্ত পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। জেলযাত্রাও হয়। আইনি লড়াইয়ে মুক্তি পেয়ে সিএএ-তে আবেদন জানালেন বাংলাদেশের ওই নাগরিক শম্পা সরকার।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১০:৩৮

options
link
‘অনুপ্রবেশের’ অভিযোগে জেল, মুক্তি পেয়েও বাংলাদেশে ফিরতে নারাজ, CAA-তে আবেদন
ঠাকুরবাড়িতে আত্মীয়ার সঙ্গে ওই তরুণী। নিজস্ব চিত্র

বাংলাদেশের হিংসার আতঙ্কে ভিসা নিয়ে এপারে এসেছিলেন তরুণী। বনগাঁ থানা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকছিলেন। ভিসার মেয়াদ ফুরোলেও তিনি দেশে ফিরে যাননি। শেষপর্যন্ত পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। জেলযাত্রাও হয়। আইনি লড়াইয়ে মুক্তি পেয়ে সিএএ-তে আবেদন জানালেন বাংলাদেশের ওই নাগরিক শম্পা সরকার। গতকাল, শনিবার মতুয়া ঠাকুরবাড়ির ক্যাম্পে গিয়েছিলেন।

Advertisement

বাংলাদেশের খুলনা জেলার বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী শম্পা সরকার ২০২৪ সালের ৭ ডিসেম্বর পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে ভারতে এসেছিলেন। এপারে বনগাঁ থানার চাঁদা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছিলেন। সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে থাকছিলেন তিনি। এদিকে ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে যায়। কিন্তু তিনি বাংলাদেশ আর ফিরে যাননি। প্রায় একবছর ধরে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শেষপর্যন্ত পুলিশ তাঁকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছিল, তাঁর ভিসার মেয়াদ ছিল ৬ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত। আদালতে নির্দেশে তাঁর জেল হয়েছিল। সম্প্রতি তিনি আইনি লড়াইয়ে মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু শম্পা আর বাংলাদেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক নন। জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়ার পরই বিজেপি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরপন্থী মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্গে পরিবারের তরফে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের সহযোগিতায় বিষয়টি আদালতে ওঠে। প্রথমে বনগাঁ মহকুমা আদালত এবং পরে হাইকোর্টে মামলা হয়। শেষপর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্ট শম্পা সরকারকে মুক্তির নির্দেশ দেয়।

Advertisement

শম্পা সরকার গত ২৬ মার্চ জেল থেকে মুক্তি পান বলে খবর। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ অনুসারে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে ভারতে আসা হিন্দু-সহ কয়েকটি সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সহজ করা হয়েছে। এছাড়া এই আইনে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে ভারতে প্রবেশকারীদের আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.