Kalyan Banerjee

‘অনেক মাল কামিয়েছে’, স্নেহাশিস-সহ ‘ঋতপন্থী’দের বিঁধে মুখ্যমন্ত্রীকে ‘চোর’ ধরার আবেদন কল্যাণের

২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি বৈঠকের ডাক দেন শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। সেখানে উপস্থিত থেকে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
‘অনেক মাল কামিয়েছে’, স্নেহাশিস-সহ ‘ঋতপন্থী’দের বিঁধে মুখ্যমন্ত্রীকে ‘চোর’ ধরার আবেদন কল্যাণের
অল্প সময়ের নোটিসে সভায় প্রচুরকর্মী উপস্থিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন অসিত মজুমদার।

কোন গোষ্ঠী পাবে দলের প্রতীক? ২১ জুলাই সমাবেশ নিয়ে দড়ি টানাটানি। তার মধ্যেই ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে হুগলির শ্রীরামপুরে কর্মীসভা করলেন ‘কালীঘাট তৃণমূল’ অসিত মজুমদার, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘চোর ধরার’ নীতিতে সমর্থন জানিয়ে, ‘ঋতপন্থী’ তৃণমূলীদের জেলে ভরার দাবি তুললেন কল্যাণ। পাশাপাশি ‘বিক্ষুব্ধ’ তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক, সাংসদদের বিঁধলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সভা শেষে জেলা সভাপতি অসিত মজুমদার জানালেন, কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন। তিনি বিশ্বাস করেন মমতা ফের মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবেন।

Advertisement

শনিবার ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি বৈঠকের ডাক দেন হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। সেখানে উপস্থিত থেকে একের পর এক বোমা ফাটান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের শাসনকালে হুগলির অনেক বিধায়ক, তাঁদের শাগরেদরা প্রচুর মাল কামিয়েছেন বলে স্বীকার করে নিয়েছেন কল্যাণ। প্রাক্তনমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে বিঁধে তিনি বলেন, “স্নেহাশিসের সঙ্গে যারা থাকতো তারা এত মাল কামিয়েছে। এখন বলছে আর তৃণমূল করি না।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি বলেছেন তৃণমূলের যারা যারা চুরি করেছে, মাল কামিয়েছে তাদের অ্যারেস্ট করবেন। এতে আমার সমর্থন আছে। ঋতব্রতর সঙ্গে যারা গিয়েছে তাদের দেখুন। সব চোরগুলো গিয়েছে। চোরের সঙ্গে চোর মিলেছে তবেই না বিক্ষুব্ধ তৃণমূল তৈরি হয়েছে। এরা প্রচুর মাল কামিয়েছে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তৃণমূল এখন দুই ভাগ। বিধানসভা ও লোকসভাতে দু’টি আলাদা ব্লক তৈরি হয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে কল্যাণ বলেন, “ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বি ব্লক আর দিল্লিতে এনডিএ বি ব্লক। সব বাঁচার জন্য হয়েছে। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলব আমাদেরকে টার্গেট করছেন কেন? সব চোর ডাকাত ঋতব্রতর দলে ঢুকে গিয়েছে তাদের ধরুন।” সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন কল্যাণ। দাবি করেছেন, তাঁর অসুস্থতার সময়ে দল থেকে প্রচুর টাকা অর্থ সাহায্য করা হয়েছে। পাশাপাশি চণ্ডীতলার বিধায়ক স্বাতী খন্দকর, চাঁপদানীর প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন-সহ কসবার ত্রাস সোনা পাপ্পু নিয়েও ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

সভায় প্রচুরকর্মী উপস্থিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন অসিত মজুমদার। তিনি বলেন, “কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন। অসীমা পাত্র থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা এসেছেন। হলের ভিতরে যত কর্মী ছিলেন তাঁর দ্বিগুণ বাইরে ছিল। আমার বিশ্বাস আগামিদিনে মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভাতেও মমতার প্রার্থীরা জয়লাভ করবেন।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.