Kultali

ভাষা বুঝতে পারেননি কেউ! কুলতলিতে ‘চোর’ সন্দেহে কেরলের ব্যক্তিকে গণপিটুনি, আটক ২ নাবালক-সহ ৮

এই অমানবিক ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দড়ি বেঁধে মারধর করার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬, ১৩:০১

options
link
ভাষা বুঝতে পারেননি কেউ! কুলতলিতে ‘চোর’ সন্দেহে কেরলের ব্যক্তিকে গণপিটুনি, আটক ২ নাবালক-সহ ৮
প্রতীকী ছবি।

কেরল থেকে আসা এক ব্যক্তিকে চোর ও ছেলেধরা সন্দেহে দড়ি দিয়ে বেঁধে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠল কয়েকজনের বিরুদ্ধে। কুলতলির এই ঘটনায় দুই নাবালক-সহ ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এই অমানবিক ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দড়ি বেঁধে মারধর করার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

Advertisement

মৃত ব্য়ক্তি কেরলের বাসিন্দা। কাজের সূত্রে আলাপ হওয়া এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে তিনি কুলতলি থানার সানকিজাহান এলাকায় এসেছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি স্থানীয় একটি বাজারে যান। এলাকার রাস্তাঘাট অচেনা থাকায় ভুল করে অন্য একটি পাড়ায় ঢুকে পড়েন কেরলের ওই বাসিন্দা। তিনি বাংলা ভাষা জানতেন না। অপরিচিত ওই ব্যক্তিকে এলাকায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখে গ্রামবাসীদের সন্দেহ হয়। তাঁকে আটকে তাঁর উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চান এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু ওই ব্যক্তি নিজের ভাষা স্থানীয়দের বোঝাতে পারেননি, এমনকী এলাকার বাসিন্দাদের ভাষাও বুঝতে পারেননি। এরপরই সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে শুরু হয় অত্যাচার। ব্যাপক মারধর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কুলতলি থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ এসে কেরলের ওই ব্যক্তিকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে জয়নগর-কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্তে নেমে শনিবার ৮ জনকে আটক করেছে কুলতলি থানার পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ২ জন নাবালক। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। ভিন রাজ্যের ওই ব্যক্তির পরিচয় জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.