কাটমানি

কাটমানির ভুয়ো অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে, ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা প্রৌঢ়ের

কোনও রকম প্ররোচনার কথা অস্বীকার করেছেন প্রৌঢ়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ২১:০৬

options
link
কাটমানির ভুয়ো অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে, ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা প্রৌঢ়ের

অরূপ বসাক, মালবাজার: কাটমানি নিয়ে রাজ্যজুড়ে শোরগোল। এর মাঝেই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে গিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করলেন ওদলাবাড়ি ঘিস বসতির এক প্রবীণ বাসিন্দা।  পরদিনই আবার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন তিনি।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে জ্বলল বাইক, উত্তপ্ত পাথরপ্রতিমায় ইটের ঘায়ে জখম পুলিশ ]

Advertisement

গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০/৪৭ পার্টের বাসিন্দা জবেদ আলি গত বৃহস্পতিবার মাল বিডিও অফিসে গিয়ে সরাসরি বিডিওর কাছে গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গৃহ নির্মাণের টাকা পাইয়ে দেবার নামে কুড়ি হাজার টাকা কাটমানি চাওয়ার গুরুতর অভিযোগ আনেন। তাঁর অভিযোগ, এই প্রকল্পে সম্ভাব্য প্রাপক তালিকায় তাঁর নাম থাকা সত্ত্বেও গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ তাঁকে গৃহ নির্মাণের টাকা দিচ্ছেন না। তদন্ত করে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিডিও বিমানচন্দ্র দাসের কাছে গত বৃহস্পতিবার আবেদন জানান তিনি।

Advertisement

এদিকে বিডিও অফিস থেকে সরকারি ডকেট নম্বর-সহ অভিযোগ পত্রটি গত শুক্রবার ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে আসার পর তদন্তে নেমে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ নথি ঘেঁটে দেখেন, জবেদ আলি ২০১৬-১৭ আর্থিক বর্ষে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় একবার গৃহ নির্মাণের জন্য তিন কিস্তিতে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা পেয়েছেন। এ ছাড়াও এনআরইজিএস প্রকল্পের জব কার্ডের মাধ্যমে আরও ১৬ হাজার টাকাও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল। এরপরই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মধুমিতা ঘোষ অভিযোগকারী জবেদ আলিকে পঞ্চায়েত অফিসে ডেকে পাঠিয়ে কেন তিনি মিথ্যে অভিযোগ করে গ্রাম পঞ্চায়েতের বদনাম করতে চাইছেন? কারও প্ররোচনায় তিনি গুরুতর এই অভিযোগ করেছেন কিনা তাও জানতে চাওয়া হয়।

[ আরও পড়ুন: নেত্রীর বাড়িতে বোমাবাজি, প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধ বিজেপির ]

জবেদ আলি কিন্তু কোনও রকম প্ররোচনার কথা অস্বীকার করেন। ভুল স্বীকার করে প্রধানের কাছে মুচলেকাও জমা দেন তিনি। ক্ষমাও চেয়ে নেন। বিষয়টি নিয়ে পরে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মধুমিতা ঘোষ বলেন, “জবেদ আলি এদিন গ্রাম পঞ্চায়েতে এসে যে মুচলেকা জমা দিয়েছেন তার কপি বিডিও’র কাছে পাঠিয়ে দেব। মিথ্যা এই অভিযোগ এনে গ্রাম পঞ্চায়েতকে বদনাম করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিডিও’ই গ্রহণ করবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.