BREAKING NEWS

২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে জ্বলল বাইক, উত্তপ্ত পাথরপ্রতিমায় ইটের ঘায়ে জখম পুলিশ

Published by: Sayani Sen |    Posted: July 20, 2019 4:33 pm|    Updated: July 20, 2019 4:33 pm

An Images

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: দফায় দফায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুর মোটরবাইক ভাঙচুর, দোকান লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে হামলাকারীরা৷ দু’দলের কর্মী সমর্থক-সহ জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীও৷  

[ আরও পড়ুন: তৃণমূল কার্যালয়ে আগুন, তল্লাশির নামে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্তর বাড়িতে তাণ্ডব পুলিশের]

শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ গোবর্ধনপুরে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে একটি মিছিল করে তৃণমূল৷ ঘণ্টাদুয়েকের মধ্যে মিছিল শেষও হয়ে যায়৷ রাত দশটা নাগাদ জি-প্লট গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য গুরুপদ মাইতি মোটরবাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন৷ অভিযোগ, সেই সময় বিজেপির প্ররোচনায় বেশ কয়েকজন যুবক তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করে৷ এই অভিযোগে পালটা তৃণমূল কর্মী এলাকার বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালায়৷ তা সংঘর্ষের চেহারা নেয়। লাঠি, বল্লম, শাবল নিয়ে একে অন্যের উপর আক্রমণ করে। ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় সাত-আটটি দোকানঘরেও। দশটি মোটরসাইকেল ও প্রায় চল্লিশটি সাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় একটি মোটরভ্যানেও৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোবর্ধনপুর উপকূল থানার কয়েকজন পুলিশ৷ হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুঁড়তে থাকে৷ ইটের ঘায়ে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। থানা লক্ষ্য করেও ছোঁড়া হয় ইট-পাথর। আহত পুলিশকর্মীদের স্থানীয় ইন্দ্রপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। আহত তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদেরও ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই পাঠানো হয়৷ তবে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে শনিবার সকালে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতাল ও কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

[ আরও পড়ুন: কাটমানি নিয়েছে প্রধান, অভিযোগ করে প্রহৃত কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য]

পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়ক সমীর জানা বলেন, ‘‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই বিজেপি কর্মীরা আমাদের সদস্যের উপর হামলা চালিয়েছে। লোকসভা ভোটের সময় যাঁরা সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরাই এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।’’ বিজেপির দক্ষিণ ২৪ পরগনা (পশ্চিম) জেলার সভাপতি অভিজিৎ দাস বলেন, ‘‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই বিজেপি করার অপরাধে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালায়। নিজেদের বাঁচাতে বিজেপি কর্মীদেরও তাই একরকম বাধ্য হয়েই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে হয়েছে।’’ এই ঘটনার পর শনিবার যথেষ্ট থমথমে গোটা এলাকা৷ নতুন করে অশান্তি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement