BREAKING NEWS

২৩ শ্রাবণ  ১৪২৭  রবিবার ৯ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

তৃণমূল কার্যালয়ে আগুন, তল্লাশির নামে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্তর বাড়িতে তাণ্ডব পুলিশের

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: July 20, 2019 1:54 pm|    Updated: July 20, 2019 1:54 pm

An Images

সম্যক খান, মেদিনীপুর: তল্লাশির নামে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ইয়াসিন পাঠানের বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। শনিবার ভোররাতে ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুরের হাতিহলকা গ্রামে। জানা গিয়েছে, তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনার জেরেই শনিবার সকালে ওই এলাকায় হানা দিয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী ও ব়্যাফ। দিল্লি থেকেই পরিবারের সদস্যদের হেনস্তার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন ইয়াসিন পাঠান।   

 [আরও পড়ুন: মোবাইল চোর সন্দেহে বেধড়ক মারধর যুবককে, উলঙ্গ করে ঘোরানোর অভিযোগ বনগাঁয়]

লোকসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘদিন কেটে গেলেও এখনও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অব্যাহত অশান্তি। কোথায় শাসকদলের হাতে আক্রান্ত বিরোধী শিবির। কোথাও আবার বিরোধীদের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। ভাঙচুর করা হচ্ছে কার্যালয়ে। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবার মেদিনীপুরে। বেশ কয়েকদিন ধরেই শাসক-বিরোধী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা। ভাঙচুর করা হয় এলাকার বেশ কয়েকটি তৃণমূল কার্যালয়। শুক্রবার রাতেও হাতিহলকা এলাকায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ভাঙচুরের পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় কার্যালয়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। রাতেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ ও ব়্যাফ। সাময়িকভাবে স্বাভাবিক হয় পরিস্থতি।

এরপর সকাল থেকেই এলাকার বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় মেদিনীপুরের বাসিন্দা রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ইয়াসিন পাঠানের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ আধিকারিকরা। লন্ডভন্ড করে দেওয়া হয় তাঁর বাড়ি। আতঙ্কে পিছনের দরজা থেকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান ইয়াসিন পাঠানের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না ইয়াসিন পাঠান। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে বাড়ি ফেরেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তল্লাশির নামে এভাবে তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ ইয়াসিন পাঠান। প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।

[আরও পড়ুন: পুলিশি নিরাপত্তায় গ্রামে পা নেতাই গণহত্যার মূল অভিযুক্তের, ক্ষুব্ধ শহিদ পরিবার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement