Mandirbazar

মন্দিরবাজারে জগদ্ধাত্রী মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা! দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস প্রশাসনের

মঙ্গলবার রাতে তিনটি মূর্তির হাত, আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভাঙা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ১৬:১৭

options
link
মন্দিরবাজারে জগদ্ধাত্রী মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা! দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস প্রশাসনের
নিজস্ব ছবি

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবারে ফের উত্তেজনা। অভিযোগ উঠেছে, মন্দিরবাজারে মৃৎশিল্পীর চালা ঘরে ভাঙা হয়েছে কয়েকটি জগদ্ধাত্রী প্রতিমা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

Advertisement

কাকদ্বীপের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার মল্লিকপুরে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। বটতলা এলাকায় জগদ্ধাত্রী মূর্তি ভাঙাকে কেন্দ্র করে আবার উত্তাল হয়ে উঠল এলাকা। জানা গিয়েছে, বটতলা এলাকার একটি ঘরে মৃৎশিল্পী ভক্ত দাসের কাছে কয়েকটি জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের বায়না ছিল। সেই অনুযায়ী মূর্তি গড়ার কাজ চলছিল। সেই আটচালার বারান্দাতে মঙ্গলবার রাতে দুষ্কৃতীরা এসে তিনটি মূর্তির হাত, আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার সকালে যে সমস্ত পুজো উদ্যোক্তারা বায়না দিয়েছিলেন তাঁদের কাছে এই ঘটনার খবর যায়। পুজো উদ্যোক্তারা এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মল্লিকপুর বটতলা এলাকায়। পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষও এলাকার পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার।

Advertisement

এই ঘটনায়, ক্ষোভের মুখে পড়েন বিধায়কও। জানা গিয়েছে, উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের হাতজোড়ো করে বিধায়ক বলেন, “আমিও হিন্দু। যে বা যারা এই জঘন্য কাজ করেছে কাউকেই ছাড়া হবে না।” বিজেপি নেতা অশোক পুরকাইত এবং বিধায়ক জয়দেব হালদার দু’জনে মিলে আলোচনা করে মীমাংসা সূত্র বের করেন। আসেন সাংসদ বাপি হালদারও। বাপি হালদার বলেন, “দোষীদের কখনোই ছাড়া হবে না। পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের ধরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।”

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৌস্তুভদীপ্ত আচার্যের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। নামে র‍্যাফও। ঘটনাস্থলে পৌঁছান ডিএসপি এবং বিভিন্ন থানার আইসি, ওসি-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কমব্যাট ফোর্স। পুলিশ প্রশাসন এবং শাসক ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের সকলের সহযোগিতায় পরিস্থিতি সামলানো হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় দু’ঘণ্টা পরে অবরোধ ওঠে। যানজটমুক্ত করে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করে পুলিশ। একইসঙ্গে মৃৎশিল্পীকে অনুরোধ করা হয় যাতে জরুরীভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিমা মেরামত করে মণ্ডপগুলিতে নির্বিঘ্নে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়। এরপরেই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.