Mischievous elephants of Jungle Mahal are sent to Buxa

শুরু আইনি প্রক্রিয়া, জঙ্গলমহলের বেয়াড়া হাতি যাচ্ছে উত্তরের বক্সার ‘বোর্ডিং’য়ে

বক্সার 'বোর্ডিং'য়ে ‘ভদ্র’ হাতির দলের মাঝে বেয়াড়াদের সবক শেখানো হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২২, ১৪:৩০

options
link
শুরু আইনি প্রক্রিয়া, জঙ্গলমহলের বেয়াড়া হাতি যাচ্ছে উত্তরের বক্সার ‘বোর্ডিং’য়ে
ছবি: প্রতীকী

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: বেয়াড়া হাতিদের আর রাখা হবে না জঙ্গলমহলে। তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হবে বক্সার ‘বোর্ডিং’য়ে। প্রধান মুখ‌্য বনপাল সৌমিত্র দাশগুপ্ত জানান, জঙ্গলমহলে হাতির দলের দাপাদাপির মূলে রয়েছে ১০ হাতি। তাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদেরকে ঘুম পাড়িয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বক্সায়। সেখানে ‘ভদ্র’ হাতিদের দলের মাঝে তাদেরও সবক শেখানো হবে। বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রামে যে হাতিটিকে ঘুমপাড়ানি গুলি করা হয়েছে তাকে উত্তরবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে। বাকিদেরও বক্সাতে নিয়ে যাওয়া হবে। এক্ষেত্রে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

Advertisement

উত্তরবঙ্গের জলদাপাড়া থেকে আনা দু’টি কুনকি হাতিকে নিয়ে সন্ধে পর্যন্ত চলে বেয়াড়া হাতি ধরার অভিযান। আর এই পুরো অভিযান ঘিরে মানুষের ভিড়ে সরগরম রইল দিনভর। মেলার চেহারা নেয় জঙ্গল লাগোয়া পিচ রাস্তা। বসে দোকান। ঝাড়গ্রাম জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্কের পিলখানা থেকে দুই কুনকি হাতি মীনাক্ষী আর শম্ভুকে লরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ঝাড়গ্রাম রেঞ্জের জোয়ালভাঙার জঙ্গলে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ, এবার শুভেন্দু অধিকারীকে নোটিস তমলুক থানার

বনদপ্তরের টিমে ছিলেন প্রাণী চিকিৎসক, ট্রাঙ্কুলাইজার টিমের বিশেষজ্ঞরা। ছিল পুলিশ ও হুলা পার্টি। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জোয়ালভাঙার জঙ্গলে চারটি হাতির একটি দল রয়েছে। সেই দলের দু’টি হাতিকে বেয়াড়া বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট হাতিকে লক্ষ্য করে তিনটি ঘুমপাড়ানি গুলি ছোঁড়া হয়েছিল। তার মধ্যে একটি গুলি একটি হাতির গায়ে লাগে। সন্ধে নামার পর কুনকি হাতি দু’টিকে ফিরিয়ে আনা হয় জুলজিক্যাল পার্কে।

Advertisement

তবে কীভাবে কুনকি হাতির অভিযান দেখতে জঙ্গল লাগোয়া রাস্তায় মানুষের মেলা বসেছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু তাই নয়, কলাবনি রাজ্য সড়কেও ছিল মানুষের জমায়েত। অথচ এই সড়ক হাতি চলাচলের করিডর। বেয়াড়া হাতিকে ঘুম পাড়ানোর এই অভিযানে ছিলেন পিসিসিএফ রাজেশ কুমার, সিসিএফ আশোক প্রতাপ সিং, ঝাড়গ্রাম ডিএফও শেক ফরিদ প্রমুখ।

[আরও পড়ুন: পাঁশকুড়া যাওয়ার পথে বিকট শব্দে থামল ট্রেন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে আহত কয়েকজন যাত্রী]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.