ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত সাড়ে তিনটে! হঠাৎ বাড়ির দরজায় খুটখাট শব্দ। মধ্যরাতে কার আওয়াজ! আতঙ্কে একেবারে তটস্থ বাড়ির মালিক। বুকে ভয় নিয়েই ঘরের দরজা খুলতেই একেবারে চক্ষু চড়ক গাছ। দুয়ারে শুয়ে প্রায় দশ ফুট লম্বা অজগর সাপ। রবিবার ভোর রাতে এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হলেন জলপাইগুড়ির মোহিত নগর মিশনারি হসপিটাল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। যা নিয়ে একেবারে হুলস্থুল পড়ে যায়। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন বাড়ির লোকজন। শেষমেশ বন দপ্তরকে ডেকে বিশাল আকারের ওই অজগর সাপটিকে উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন:
জলপাইগুড়ির প্রত্যন্ত মোহিতনগর মিশনারি হসপিটাল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয় রায়। প্রত্যেকদিনের মতো শনিবারও সবকিছু দেখে দরজায় খিল দিয়ে শুতে যান। কিন্তু হঠাৎ শব্দে মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে যায় সঞ্জয়ের। তিনি বলেন, ”ঘড়িতে সেই সময় তিনটে ১০/১৫ হবে। হঠাৎ শব্দ শুনতে পাই। রাতে এমন শব্দ শুনে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে যাই। আতঙ্ক নিয়েই দরজা খুলে দেখি বিশাল একটা অজগর শুয়ে রয়েছে দরজার সামনে।” সঞ্জয়ের কথায়, এত বড় সাপ দেখার পরেই হুলস্থুল পড়ে যায়। চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। ছুটে আসে আশেপাশের লোকজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়দের চিৎকার চেঁচামেচিতে বিশাল আকারের সাপটি পালানোর চেষ্টা করে। সেই সময়ে বাড়ির পাশের একটি জালে আটকে পড়ে। এদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পরিবেশ কর্মীরা। আসেন বন দপ্তরের আধিকারিকরা। যৌথভাবে বিরাট আকারের সাপটিকে উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সকালে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয় অজগর সাপটিকে। কিন্তু কীভাবে সেটি সেখানে এল? আধিকারিকদের কথায়, ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে বৈকুন্ঠপুরের জঙ্গল। সেখান থেকে নদী পথে খাবারের খোঁজে অজগর সাপটি লোকালয়ে চলে আসতে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
বাড়ি থেকে এক পা বেরতে দেননি স্বামী! ৮ মাস পর উদ্ধার করল পুলিশ
-
ক্লান্তিকর খবরের ভিড়ে হস্তিশাবকের বাঁচার গল্প যেন রূপকথা!
-
লক্ষ্য দ্রুত ভোটারের নাম নথিভুক্তকরণ, ট্রাইবুনালের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কমিশনের, হবে ডিজিটাল শুনানি!
-
কেন্দ্রের অনুদানে কেনা যন্ত্রপাতি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ‘গায়েব’! কড়া শাস্তির নিদান স্বাস্থ্য দপ্তরের
-
স্ত্রী সুনীতা একা, কোমলকে আগলে গণপতি দর্শনে গোবিন্দা, ভগবানকে সাক্ষী রেখে প্রেমে সিলমোহর!