মেলায় কি ঢুকছে জঙ্গিরা? ট্রেনে বসেই নজরদারি কোকো-জোজো-জাভার

যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রেল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৮, ১৩:৪৩

options
link
মেলায় কি ঢুকছে জঙ্গিরা? ট্রেনে বসেই নজরদারি কোকো-জোজো-জাভার

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: দেশজুড়ে গতিবিধি বাড়ছে জঙ্গিদের। পশ্চিমবঙ্গেও হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে একাধিকবার সতর্ক করেছেন গোয়েন্দারা। জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছে রেল, বিমানবন্দর। তাই ট্রেনে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রেল। এবার জঙ্গিদের ছক বানচাল করতে মোতায়েন করা হবে কোকো, জোজো ও জাভাকে।

Advertisement

[মুশকিল আসান যোগাভ্যাস, প্রাক্তন কর্মীদের সাহসিকতায় বন্ধ চুরি-চামারি]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর কয়েকটা দিন গেলেই শুরু শ্রাবণ মাস। যাত্রীচাপ বাড়বে আসানসোল রেল ডিভিশনে। বিশেষ করে বাবা বৈদ্যনাথধাম ও বাবা বাসুকিনাথে জল ঢালার জন্য পুণ্যার্থীরা ভিড় জমাবেন আসানসোল থেকে যশিডিতে। এবার যাত্রীদের সুরক্ষায় শ্রাবণী মেলায় পাহারা দেবে কোকো, জোজো, আর জাভা। গোয়ালিয়র থেকে বিশেষ ট্রেনিং সমাপ্ত করে এই তিন সারমেয় এসে পৌঁছেছে আসানসোলে। বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে জুড়ি নেই ডগ স্কোয়াডের এই তিন সদস্যের।

Advertisement

কোকো, জোজো আর জাভা ল্যাব প্রজাতির কুকুর। তাদের জন্ম আসানসোলেই। ৬ মাস বয়সেই এই তিনজনকে বিশেষ ট্রেনিং এর জন্য মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে পাঠানো হয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন ৬ আরপিএফ জওয়ান। রেল পুলিশের এএসআই এসকে সিং, হেডকোয়ার্টার ডিসি মণ্ডল ও কনস্টেবল এ বাউরিকে হেন্ডেলার্স প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের সঙ্গে সহায়ক হিসাবে আরও তিনজনকে পাঠানো হয়। যাঁরা সকলেই ফিরে এসেছেন। এবার রেলের নিরাপত্তার দায়িত্ব এই তিন স্নিফার ডগের হাতেই সঁপে দেওয়া হবে।

আরপিএফ সিআইবি ইন্সপেক্টর তথা ডগ স্কোয়াডের দায়িত্ব প্রাপ্ত বাসুকিনাথ জানান, আসানসোলে রেলের ৫টি ট্রেনিং প্রাপ্ত স্নিফার ডগ আগে থেকেই ছিল। তার মধ্যে এই তিনটিকে পাঠানো হয়েছিল বম্ব ও বিস্ফোরক ট্র্যাকিং ট্রেনিং এর জন্য। ট্রেনিং শেষে এবার থেকে ডিউটিতে পাঠানো হবে তাদের। শ্রাবণী মেলার জন্য বাবাধাম বৈদ্যনাথ ও বাসুকিনাথে দায়িত্বে থাকবে কোকো, জোজো ও জাভা। রেলের বড় ছোট লাগেজে গন্ধ শুঁকে এরা সতর্ক করে দেবে নিরাপত্তারক্ষীদের।

শুধু স্টেশন চত্বর নয় রেলের কামরায়ও এদেরকে দিয়ে নজরদারি চালানো হবে। ভিআইপি মুভমেন্টের ক্ষেত্রেও বড় দায়িত্ব থাকবে এদের। রাজ্য পুলিশ তাঁদের প্রয়োজনে এই তিনটি ট্রেনিং প্রাপ্ত কুকুরকে নিয়ে যেতে পারেন তবে সিনিয়র ডিএসসির অনুমতি নিতে হবে। ট্রেনিং এর পর এই প্রথম ডিউটির হাতেখড়ি হবে শ্রাবণীমেলা দিয়ে। যে সময় আসানসোল রেল ডিভিশন থাকে প্রবল চাপের মুখে।

[পুরোহিত ডেকে জীবিত ছেলের শ্রাদ্ধ করলেন বাবা! রায়গঞ্জে শোরগোল]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.