Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Dinhata

ডিমভাত নিয়ে ঝগড়াতেই বাবা-মা’কে ‘খুন’ ছেলের, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা পুলিশের

ডিমভাত নিয়ে বচসা হয়েছিল রাতে। তার জেরেই বাবা-মা'কে 'খুন' করে ছেলে। এরপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোচবিহারের দিনহাটায় জোড়া খুনের রহস্যের কিনারা করল পুলিশ।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৮:৩৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৮:৩৬

options
link
ডিমভাত নিয়ে ঝগড়াতেই বাবা-মা’কে ‘খুন’ ছেলের, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা পুলিশের zoom
ঘটনার পুনর্নির্মাণ করানোর জন্য অকুস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় অভিযুক্তকে। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

ডিমভাত নিয়ে বচসা হয়েছিল রাতে। তার জেরেই বাবা-মা’কে ‘খুন’ করে ছেলে। এরপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোচবিহারের দিনহাটায় জোড়া খুনের রহস্যের কিনারা করল পুলিশ। গতকাল, শুক্রবার সকালে নিজেদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল স্বামী-স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ। পরে তদন্তে নেমে পুলিশ তাঁদের ছেলেকে পাকড়াও করে। জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছিল ধৃত মহাদেব রায়।

ওই দম্পতির নাম সুকুমার বর্মন ও চম্পা রায়। দিনহাটা ভিলেজ-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের হিমঘর সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়িতে তাঁরা থাকতেন। পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন ওই বৃদ্ধ। গৃহবধূ ছিলেন চম্পা। গতকাল সকালে ওই বৃদ্ধ দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। খুন অনুমান করেই তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। ওই দম্পতির দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়ের অন্যত্র বিয়ে হয়েছে। যুবক ছেলে মহাদেব ওই বাড়িতেই দম্পতির সঙ্গে থাকতেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গ্রেপ্তারির পর জেরায় মহাদেব স্বীকার করেছে, দু’জনকে সেই খুন করেছে। আজ, শনিবার ধৃতকে নিয়ে অকুস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে পুলিশ। কিন্তু কী কারণে এই খুন? মহাদেব জানিয়েছে, গতকাল রাতে খেতে বসে দেখা যায় ডিমের ঝোল-ভাত নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সেই খাবার খেতে অস্বীকার করেছিলেন মহাদেব। সেসময় সুকুমার বর্মন মহাদেবের উপর চোটপাট শুরু করে। সেই নিয়ে দু’জনের বিবাদ শুরু হয়। ভারী জিনিস দিয়ে সুকুমারকে আঘাত করা হয়। তাঁকে ছেলের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন চম্পা। চম্পাকেও একইভাবে আঘাত করা হয়। সেই আঘাতে স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই মারা যান। খুনের পর তেমন কোনও অনুতাপও হয়নি, সেই কথাও জানিয়েছেন মহাদেব।

জানা গিয়েছে, মহাদেব, টুম্পার বাব নন সুকুমার। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের মা ও সুকুমার একসঙ্গে থাকতেন। তবে সুকুমার বর্মন ও চম্পা রায় বিয়ে করেননি। ধৃতের বক্তব্য খতিয়ে দেখছে পুলিশ। খুনের প্রকৃত কারণ, ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও বিষয় ছিল কি? তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.