আগেই জল্পনা ছড়িয়েছিল। প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরিকে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থী করতে পারে কালীঘাট-তৃণমূল। এবার সেই খবরেই কি পড়তে চলেছে সিলমোহল? প্রতীক নিয়ে তৃণমূলের দুই শিবিরে দ্বন্দ্বের মধ্যে শুক্রবার অখিল গিরিকে ফোন করেছিলেন মমতা। শনিবার অখিলকে কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠান তিনি।
অখিল গিরি জানিয়েছেন, ৩ দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়েছে। উপনির্বাচন নিয়ে প্রাক্তন বিধায়কের পরামর্শ চেয়েছেন তিনি। মমতাকে নিজের মতামত জানিয়েছেন অখিল গিরি। হোয়াটসঅ্যাপেও দলকে পরামর্শ দেন প্রাক্তন মন্ত্রী। এই আবহে শুক্রবার অখিল গিরিকে ফোন করেন মমতা। তাঁকে শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠান তিনি।
আরও পড়ুন:
যদিও অখিলকেই নন্দীগ্রাম থেকে মমতা প্রার্থী করবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও প্রার্থী করা নিয়ে অখিল জানান, তিনি দলের অনুগত সৈনিক। দল তাঁকে কোনও নির্দেশ দিলে তিনি তা পালন করবেন। তবে প্রার্থী হিসেবে মমতা সিদ্ধান্তকে ভরসা করছেন তিনি। তিনি চান মমতা নিজের পছন্দ মতো প্রার্থী বেছে নিক। তবে স্থানীয় প্রার্থীর অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করেন অখিল। যদি দল তাঁকে প্রার্থী করে তাহলে সেই নির্দেশ তিনি মানতে বাধ্য বলেও মনে করেন তিনি।
উল্লেখ্য, রাজ্যে পালাবদলের পর টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূলের মধ্যে চলছে দড়ি টানাটানি। দলের প্রতীক, ফান্ডের আসল মালিক কে ? এই নিয়ে শনিবার দুই পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সব মহল। উপনির্বাচনের আগেই কি তাহলে প্রতীক জট কাটবে তৃণমূলে ? যদিও সেই সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে ঋতব্রত শিবির সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তাঁরা প্রার্থী দেবেন না। এই আবহে নন্দীগ্রামে প্রার্থী দিতে তোড়জোড় শুরু করল কালীঘাট তৃণমূল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
স্বমেজাজে কিম! মার্কিন সামরিক মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পিয়ংইয়ং, রেগে আগুন দক্ষিণ কোরিয়া
-
পশ্চিম সিকিমে ফের ভূমিধস, অবরুদ্ধ রিম্বি-খেচুপরি সড়ক, আতঙ্কে স্থানীয়রা
-
২০ বছরের সশস্ত্র সংগ্রামে ইতি! স্বামী মদনের ডাকে বাংলায় আত্মসমর্পণের পথে মাওবাদী জবাও
-
‘পালালেও লুকোতে পারবে না’, কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম জইশ জঙ্গি, উদ্ধার অত্যাধুনিক M4 রাইফেল
-
প্রদীপকে সরিয়ে মিতা! জেলা সভাপতি বদল হতেই অশান্তির ‘কালো মেঘ’ প্রদেশ কংগ্রেসে