Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga Puja 2026

ভূমিধসের আতঙ্ক পেরিয়ে খুলে গেল সিকিমের গুরুদংমার লেক, ঘুরে আসুন পুজোর ছুটিতে

পুজোর আগেই পর্যটকদের জন্য সুখবর। খুলে দেওয়া হল বাঙালি পর্যটকদের স্বপ্নের গন্তব্য উত্তর সিকিমের 'পবিত্র' লেক গুরুদংমার। গতকাল, শুক্রবার সিকিম প্রশাসনের তরফে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৮:১১

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৮:১১

options
link
ভূমিধসের আতঙ্ক পেরিয়ে খুলে গেল সিকিমের গুরুদংমার লেক, ঘুরে আসুন পুজোর ছুটিতে zoom
গুরুদংমার লেকের অপার সৌন্দর্য। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

পুজোর আগেই পর্যটকদের জন্য সুখবর। খুলে দেওয়া হল বাঙালি পর্যটকদের স্বপ্নের গন্তব্য উত্তর সিকিমের ‘পবিত্র’ লেক গুরুদংমার। গতকাল, শুক্রবার সিকিম প্রশাসনের তরফে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, লাচেনগামী রাস্তাটি পর্যটকদের জন্য শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেওয়া হল। সিকিমের ওই অংশ গত কয়েক বছর ভূমিধসে বিধ্বস্ত ছিল। পর্যটকরা যাতে কোনও বড় সমস্যার সম্মুখীন না হয়, সেজন্য ওই হ্রদের যাতায়াতের রাস্তা একবছরের বেশি সময় বন্ধ ছিল। এবার পুজোর মরশুমে সিকিমে পর্যটকের ভিড় অনেকটাই বাড়বে। এমনই মনে করছে সিকিমের পর্যটন বিভাগ।

সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭,৮০০ ফুট উঁচুতে ভারত-তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন উত্তর সিকিমের গুরুদংমার হ্রদ। পর্যটকদের কাছে এটি ‘অমর্ত্যলোক’ হিসেবেও পরিচিত। গ্যাংটক থেকে লাচেন হয়ে এই হ্রদের দূরত্ব প্রায় ১৯০ কিলোমিটার। বৌদ্ধ, হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের কাছে এটি অত্যন্ত পবিত্র। সিকিমের প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায়, অষ্টম শতাব্দীতে বৌদ্ধ গুরু পদ্মসম্ভব হ্রদটি পরিদর্শন করেন। গুরু পদ্মসম্ভব গুরুদংমার নামেও পরিচিত। সম্ভবত তার নেমে হ্রদের নামকরণ হয়। উত্তর সিকিম ভ্রমণে গেলে বাঙালি তো বটেই। দেশ-বিদেশের পর্যটকরাও তুষারাবৃত ওই হ্রদ না দেখে ফেরেন না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Durga Puja 2026: Sikkim's gurudongmar Lake has reopened
এবার খুলে দেওয়া হল গুরুদংমার লেক। ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালের জুন মাসে প্রবল ভূমিধসের জেরে তারাম চুতে লাচেনগামী রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। তারাম চু-র ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও সেতু মেরামত চলছিল এতদিন। শেষপর্যন্ত সিকিম প্রশাসন পর্যটকদের যাতায়াতের ছাড়পত্র দিয়েছে। শুক্রবার গুরুদংমার হ্রদ খুলে দেওয়া হল। তবে ওই রাস্তায় চলাচলে কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে। জানানো হয়েছে, গ্যাংটক অথবা মঙ্গন থেকে লাচেন ও লাচুংয়ের দিকে যাওয়া পর্যটকদের গাড়িগুলোকে বিকেল ৪টের মধ্যে টুং চেকপোস্ট অতিক্রম করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে ছোটগাড়ি ওই চেকপোস্ট অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না। পর্যটকেরা যেন অন্ধকার আগে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেন, সেজন্য ওই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। পণ্যবাহী ট্রাক চলবে সঙ্কলং–সাফো–শিপগিয়ার রুটে। চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পর্যটন বিভাগের মুখপাত্র সম্রাট সান্যাল বলেন, “উত্তর সিকিম পুরোপুরি খুলে যাওয়ায় পর্যটন শিল্প লাভবান হবে। এবার সেখানে পর্যটকদের ভিড় বাড়বে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.