SIR in West Bengal

সিএএতে আবেদন করবেন? প্রশ্ন শুনেই রেগে অগ্নিশর্মা বিজেপি-কমিশনে ক্ষুব্ধ গাইঘাটার ‘ডিলিটেড’ ভোটার

গাইঘাটা বিধানসভার গাতি গ্রামের ৪২ নম্বর বুথের বাসিন্দা বছর ৫৬-র শৈলেন পাইক। তিনি মতুয়া ভক্ত৷ ১৯৯৯ সাল থেকে গাতি এলাকায় বসবাস করছেন। নিয়মিত ভোটও দেন। তাঁর বাবা-ঠাকুরদারা মিনাখা এলাকার আদি বাসিন্দা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৩:৫৪

options
link
সিএএতে আবেদন করবেন? প্রশ্ন শুনেই রেগে অগ্নিশর্মা বিজেপি-কমিশনে ক্ষুব্ধ গাইঘাটার ‘ডিলিটেড’ ভোটার
ফাইল ছবি।

সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে। সিএএতে আবেদন করবেন? প্রশ্ন শুনেই রেগে অগ্নিশর্মা ‘ডিলিট’ ভোটার গাইঘাটার গাতিগ্রামের বাসিন্দা শৈলেন পাইক ৷ বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তিনি ৷ বলেন, “জন্মসূত্রে আমি এই দেশের নাগরিক। পূর্ব পুরুষরা এই মাটিতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছে।”

Advertisement

গাইঘাটা বিধানসভার গাতি গ্রামের ৪২ নম্বর বুথের বাসিন্দা বছর ৫৬-র শৈলেন পাইক। তিনি মতুয়া ভক্ত৷ ১৯৯৯ সাল থেকে গাতি এলাকায় বসবাস করছেন। নিয়মিত ভোটও দেন। তাঁর বাবা-ঠাকুরদারা মিনাখা এলাকার আদি বাসিন্দা। নিয়ম মেনে ১৯৭০ সাল ও পরবর্তী সময়ের পরিবারের ভোটার তালিকা দেখিয়ে শৈলেন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গাইঘাটা বিধানসভায় নাম তোলেন। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ায় শৈলেনবাবুকে শুনানিতে ডাকা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে দেখা যায় তাঁর নাম ‘বিচারাধীন’ রয়েছে। তবে স্ত্রী ও দু’ছেলের ভোটার তালিকায় নাম আছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শৈলেনবাবু অপেক্ষা করছিলেন সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকার জন্য। প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়েছে। তারপরই পাগল দশা শৈলেনবাবুর। তিনি বলেন, “জন্মসূত্রে আমি এই দেশের নাগরিক৷ ১৯৯৯ সালে মিনাখা থেকে ঠাকুরনগরে চলে আসি। নতুন করে নাম তুলতে দু’বছরের জন্য ভোটার তালিকায় নাম ছিল না। পরবর্তীকালে দমদম বিধানসভা এলাকায় নাম ছিল ৷ পরে বারাকপুর মহকুমা শাসকের এই প্রমাণ পত্র দেখালে গাইঘাটায় নাম উঠে। এখন দেখি নাম নেই। নাম কেন বাদ দেওয়া হল। আমার নাম অবিলম্বে ভোটার তালিকা তুলতে হবে।” সিএএতে আবেদন কথা বলা হলে তিনি বলেন, “আমি বাংলাদেশী না। ভিনদেশী না ৷ আমার পূর্বপুরুষ এখানকার বাসিন্দা। আমার নাম কেন বাদ দেওয়া হল ৷ আমার নাম অবিলম্বে ভোটার তালিকা তুলতে হবে৷”

Advertisement

প্রসঙ্গত, শান্তনু ঠাকুর ও বিজেপির পক্ষ থেকে আগে থেকে বলা হয়েছিল কোনও হিন্দু নাম বাদ যাবে না। যদি তাহলে সিএএ আবেদন করলে নাম উঠবে। স্থানীয় তৃণমূলের বক্তব্য এভাবে বহু মানুষকে নির্বাচন কমিশন বিজেপির লোকেরা নাম বাদ দিয়ে প্রতারণা করেছে ৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.