বগুলায় তৃণমূল নেতা খুন, তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি

অভিযোগের আঙুল বিজেপি ও সিপিএমের দিকে...

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৯, ১৪:৫৬

options
link
বগুলায় তৃণমূল নেতা খুন, তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে এক তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন করল দুষ্কৃতীরা। রবিবার রাতে নদিয়ার বগুলা বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। রাতেই ঘটনার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মৃতের নাম দুলাল বিশ্বাস (৬০)। তিনি বগুলা-১ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান ও তৃণমূলের হাঁসখালি ব্লক সভাপতি ছিলেন। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ, সিপিএম ও বিজেপির চক্রান্তের শিকার হলেন দুলালবাবু। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ এই দুই দল। সকাল থেকেই এলাকায় দফায় দফায় জেরা চালাচ্ছে তদন্তকারীরা।

Advertisement

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার রাত পৌনে ন’টা নাগাদ দলীয় কার্যালয়ে ছিলেন দুলালবাবু৷ কার্যালয়ের সামনে দু’টি বাইক এসে দাঁড়ায়। বাইক থেকে নেমে আসে চার যুবক। সোজা ঢুকে পড়ে ঘরে। এরপরই পর পর পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায় তারা। মুহূর্তে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে দুলালবাবুর রক্তাক্ত দেহ। এদিকে ততক্ষণে গুলির শব্দে হইচই শুরু হয়ে যায় এলাকায়। সুযোগ বুঝে এলাকা ছেড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুলালবাবুকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় বগুলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। চিকিৎসকরা জবাব দিয়ে দেন। ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বেশ কয়েকজনের নাম জানতে পেরেছে পুলিশ।

Advertisement

[নৌসেরায় ভারতীয় সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে তীব্র গুলিবর্ষণ পাক সেনার]

Advertisement

দলীয় নেতার মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “দুলালবাবু আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা৷ এভাবে খুন করে তৃণমূলকে শেষ করা যাবে না৷ অস্ত্র নিয়ে মিছিল করে যে ধরনের প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে এটি তারই প্রতিফলন। এই ধরনের ঘটনা রুখতে প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চলবে৷” তৃণমূলের নদিয়া জেলা সভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, “সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নকে স্তব্ধ করতেই বিজেপি ও সিপিএম চক্রান্ত করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে৷ আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি৷” যদিও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই এমন ঘটনা ঘটেছে৷

[কালো টাকা উদ্ধারে কেন্দ্রের কাছে জমা পড়েছে ৩৮ হাজার ই-মেল]

এদিকে স্থানীয় রেললাইনের ধার থেকে একটি কালো ব্যাগ থেকে বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। সঙ্গে দোনলা বন্দুক ও গুলি। দুলালবাবুর খুনের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলির কোনও যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, খুনের পর দুষ্কৃতীরা এই রেললাইন ধরেই চম্পট দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে দফায় দফায় তদন্তে যান পুলিশ ও সিআইডি আধিকারিকরা।

ছবি : সুজিত মণ্ডল

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.