রাজ্য প্রশাসন থেকে শাসকদলের সর্বোচ্চ নেতা, যতই নিষেধ করুন, দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের উপর ‘ডিম থেরাপি’ চলছেই। প্রকাশ্যে তাঁদের দেখলে ডিম ছুড়ছেন উত্তেজিত জনতা। এই ডিম হামলার সবচেয়ে বেশি শিকার তৃণমূল। এই ছবিটার আর বদল ঘটল না। এবার তা আটকাতে নিজের সঙ্গে লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলে বিতর্ক বাড়ালেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ (Kirti Azad)। তাঁর কথায়, “স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল, আর এখন লোককে ডিম মারছে। আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। আমাদেরও নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার আছে।” পালটা বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি, “উনি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখব – একথা বলেন, তাহলে আমরা হাইড্রা করে তুলে ওঁকে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসব।”
আরও পড়ুন:
রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের উপর জনরোষ আছড়ে পড়েছে। আর তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ‘ডিম থেরাপি’র মাধ্যমে। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন বা যাঁরা হননি, অনেককে লক্ষ্য করে জনতা ডিম ছুড়েছে। এর শিকার বেশি হয়েছেন কালীঘাট তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা। সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, কুণাল ঘোষদের ডিম হামলার মুখে পড়তে হয়েছে। এবার তা আটকাতে বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ কীর্তি আজাদের ঘোষণা, “আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। আমাদেরও নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার আছে।”
রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের উপর জনরোষ আছড়ে পড়েছে। আর তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ‘ডিম থেরাপি’র মাধ্যমে। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন বা যাঁরা হননি, অনেককে লক্ষ্য করে জনতা ডিম ছুড়েছে। এর শিকার বেশি হয়েছেন কালীঘাট তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা। সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, কুণাল ঘোষদের ডিম হামলার মুখে পড়তে হয়েছে। এবার তা আটকাতে বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ কীর্তি আজাদের ঘোষণা, “আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। আমাদেরও নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার আছে।”
সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি একথা বলেন। কীর্তির কথায়, “আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারত মাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি।” ঋতব্রত শিবিরকে নিশানা করে তিনি বলেন, “ওঁদের সঙ্গে আমাদের পুরনো সম্পর্ক রয়েছে। ঋতব্রত কী কী করেছেন, ফোনে কী কী কথা বলেছেন, কার চাপের মুখে তিনি কী করেছেন, সেটাও আমরা জানি।” বিজেপিকে নিশানা করে সাংসদের শ্লেষ, “এটা রাক্ষসরাজ। রাক্ষস! কালনেমিরা এখানে বসে রয়েছে।”
বেশ কিছু কর্মসূচি নিয়ে কীর্তি আজাদ এসেছেন বর্ধমান-দুর্গাপুরে। জানালেন, সন্ধ্যায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক রয়েছে। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের নানা জায়গায় ঘুরবেন। দুর্গাপুজোর পর থেকে দলের সমস্ত কর্মসূচি শুরু হবে। বাংলার সঙ্গে আফ্রিকার দেশগুলির তুলনা করে তাঁর মন্তব্য, “বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই। সেখানে সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে। আর এখানে শহর, ঘর, গলি সর্বত্র জলদস্যু, ডাকাতরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রূপটানের পরেই ত্বকে ব্রণের সমস্যা? এই ৩ ভুল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন শাহিদজায়া
-
প্রথমবার বাবা হলেন অনুপম রায়, প্রশ্মিতার কোলে ফুটফুটে সন্তান, কী জানালেন গায়ক?
-
বিতর্কিত রামপুর চেকপোস্টে সারপ্রাইজ ভিজিটে অর্জুন, বডি ক্যামেরা ও ‘ওয়াররুম’ চালুর নির্দেশ
-
মুখস্থ করে পাশ করার দিন শেষ! প্রশ্নপত্র-রিপোর্ট কার্ডেও আমূল বদল, শিক্ষকদের বিশেষ ট্রেনিং দেবে রাজ্য
-
গুটখার বিজ্ঞাপনে আইনি বিপাকে শাহরুখ, ‘বিবেকে বাঁধে…’, খোঁচা সানি দেওলের!