Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Arjun Singh

বিতর্কিত রামপুর চেকপোস্টে সারপ্রাইজ ভিজিটে অর্জুন, বডি ক্যামেরা ও ‘ওয়াররুম’ চালুর নির্দেশ

অর্জুন সিং স্পষ্ট ঘোষণা করেন, পুরো ট্যাক্স অর্থাৎ কর আদায় ব্যবস্থাকে একশো শতাংশ অনলাইন করা হবে।

শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৭:১১

link
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ১৭:১১

options
link
বিতর্কিত রামপুর চেকপোস্টে সারপ্রাইজ ভিজিটে অর্জুন, বডি ক্যামেরা ও ‘ওয়াররুম’ চালুর নির্দেশ zoom
রামপুর চেকপোস্টে সারপ্রাইজ ভিজিটে মন্ত্রী।
Advertisement

বিতর্কিত রামপুর চেকপোস্টে সারপ্রাইজ ভিজিটে পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। আসানসোল কুলটির ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানায় রয়েছে বিতর্কিত এই রামপুর চেকপোস্ট। সেখানেই সোমবার সকালে হঠাৎ করেই হাজির হন পরিবহণমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর এবং মানবাজারের অনুষ্ঠানে থাকার কথা রয়েছে তাঁর। সেখানে যাওয়ার পথেই আচমকাউ রামপুর চেকপোস্ট পরিদর্শন করেন শ্রম এবং পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। চেকপোস্টে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পাশাপাশি একাধিক নির্দেশও দেন।

পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে ভিন রাজ্যের গাড়ি চালকদের ভুয়ো করের নামে হয়রানি ও বেআইনি তোলাবাজির অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়।

বৈঠক শেষে তিনি জানান, পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হল পরিকাঠামো উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা ফেরানো। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, পুরো ট্যাক্স অর্থাৎ কর আদায় ব্যবস্থাকে একশো শতাংশ অনলাইন করা হবে। অনিয়ম এবং দুর্নীতি চিরতরে বন্ধ করতে ফিল্ডে কর্মরত এমভিআই আধিকারিকদের জন্য ‘বডি ক্যামেরা’ চালুর কথাও বলেন মন্ত্রী। পাশাপাশি গোটা চেকপোস্টে সিসিটিভি ক্যামেরা, যা সরাসরি যুক্ত থাকবে হেডকোয়ার্টারের সেন্ট্রাল ‘ওয়ার রুম’-এর সঙ্গে। এতদিন ধরে চলে আসা ‘ডান্ডা ট্যাক্স’ সংক্রান্ত বিভ্রান্তি নিরসন করে মন্ত্রী সাফ জানান, এটি মূলত বেআইনি ওভারলোডিংয়ের বিরুদ্ধে নিয়ম মেনে আদায় করা স্পেশাল রেভিনিউ ট্যাক্স। একটা নাম দিয়ে দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র। অন্যদিকে চেকপোস্টে থাকা আধিকারিকদের

Advertisement

উল্লেখ্য, পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে ভিন রাজ্যের গাড়ি চালকদের ভুয়ো করের নামে হয়রানি ও বেআইনি তোলাবাজির অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়। রাজ্য প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি মেনে এই দুর্নীতি কাণ্ডে যুক্ত থাকা দুই এমভিআই আধিকারিক নাজিমুল হক ও অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়কে বরখাস্তের পর গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে নেমে স্থানীয় এক হোটেল মালিক এবং আরও এক দালালসহ মোট চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ডিজিটাল তথ্য ও বাজেয়াপ্ত নথি খতিয়ে দেখে তল্লাশি অভিযান এখনো অব্যাহত। একাধিক গ্রেপ্তার ও বিপুল টাকা উদ্ধারের মতো উত্তপ্ত পরিস্থিতির আবহেই পরিবহন মন্ত্রীর এই ঝটিকা সফর এবং প্রযুক্তি নির্ভর কঠোর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.