Tripura CM Manik Saha

শ্রাবণী মেলার মাঝে তারকেশ্বরে পুজো ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর, শুভেন্দুর প্রশংসায় মানিক সাহা

পশ্চিমবঙ্গে আস্তিকের পরিবেশ এসেছে, আগে নাস্তিকের পরিবেশ ছিল। বাংলায় যে অত্যাচার ও অনাচার চলছিল তা থেকে মুক্ত হয়েছে। রবিবার হুগলির তারকেশ্বরে ঝটিকা সফরে এসে এই মন্তব্যই করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ২০:২১

options
link
শ্রাবণী মেলার মাঝে তারকেশ্বরে পুজো ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর, শুভেন্দুর প্রশংসায় মানিক সাহা
২ আগস্ট, রবিবার। তারকেশ্বরে এসে পুজো দিলেন ত্রিপুরার মুখ্য়মন্ত্রী মানিক সাহা। নিজস্ব ছবি।

পশ্চিমবঙ্গে আস্তিকের পরিবেশ এসেছে, আগে নাস্তিকের পরিবেশ ছিল। বাংলায় যে অত্যাচার ও অনাচার চলছিল তা থেকে মুক্ত হয়েছে। রবিবার হুগলির তারকেশ্বরে ঝটিকা সফরে এসে এই মন্তব্যই করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Tripura CM Manik Saha)। তিনি তারকেশ্বের মন্দিরে পুজো দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কামনা করেন। পাশাপাশি ত্রিপুরাবাসীর মঙ্গলের জন্যও প্রার্থনা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করে মানিক জানান, শুভেন্দুর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছবে। অনেক দিন পর পশ্চিমবঙ্গে এসে স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছেন তিনি। 

Advertisement

শ্রাবণ মাসে শিবের মাথায় জল ঢালতে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হচ্ছে তারকেশ্বরে। শ্রাবণী মেলাকে জাতীয় মেলার পর্যাদাও দেওয়া হয়েছে এবার। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাতারে কাতারে ভক্ত তারকেশ্বর মন্দিরে আসছেন। নিষ্ঠা ভরে পুজো দিচ্ছেন। নিয়ম নীতি মেনে বাবার মাথায় জল ঢালছেন। আর তার জন্য ব্যস্ত প্রশাসনও। এরই মাঝে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা তারকেশ্বর মন্দিরে আসেন। তিনি সপরিবারে পুজো দেন। তবে তিনি মন্দিরের ভিতরে ঢুকতে পারেননি। তাই আর একবার তারকেশ্বরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন তারকেশ্বর, জাঙ্গীপাড়া, খানাকুলের বিজেপি বিধায়করা। 

Advertisement

মন্দির থেকে বেরিয়ে মানিক সাহা বলেন, “খুব আনন্দ হচ্ছে। বহু বছর পর আমি এখানে এলাম। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে এসেছি। দুধপুকুরে স্নানও করেছি। বাবা তারকনাথের কাছে মাথা ঠেকিয়ে প্রার্থনা করেছি। এখন পশ্চিমবঙ্গে আস্তিকের পরিবেশ এসেছে। আগে নাস্তিকের পরিবেশ ছিল। সেই কারণে এখন অনুভূতিটা খুব ভালো হচ্ছে। মনে হচ্ছে ভগবানের কাছে আমরা চলে এসেছি। বাবা তারকনাথের কাছে প্রার্থনা করেছি যে, পশ্চিমবঙ্গ যেন উন্নয়নের দিক থেকে শিখরে পৌঁছায়। ত্রিপুরাবাসীর জন্যও মঙ্গল কামনা করেছি।”

Advertisement

তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যে অত্যাচার, অনাচার চলছিল তা থেকে মুক্ত হয়েছে। এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে বাবা তারকনাথের আশীর্বাদে। যেহেতু শ্রাবণ মাস তাই মন্দিরের ভিতরে ঢুকতে পারিনি তাই আরও একবার আমি আসব। আর সবার মঙ্গল কামনা করব। শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর মার্গ দর্শন নিয়ে চলছেন তাতে মনে করি পশ্চিমবঙ্গে আরও উন্নতি হবে। অনেকদিন পরে একটা স্বাধীনতার অনুভূতি আমরা পাচ্ছি। আবার নতুন করে সেই স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.