সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের পর প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক। সেই প্রেমিকাকেই খুন করে রান্নাঘরে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ। ঘটনার মাসছয়েক পর উদ্ধার নরকঙ্কাল। বাদুড়িয়ার ঈশ্বরিগাছার ঘটনায় গ্রেপ্তার মহিলার প্রেমিক এবং তার দিদি।
নিহত রহিমা মণ্ডল, উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার নতিডাঙার বাসিন্দা। বিয়ের আগে প্রতিবেশী বাকিবুল্লার সঙ্গে রহিমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুই পরিবার বিষয়টি জানত। তবে পরিবারের লোকজন তাদের দুজনকেই অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন। অভিযোগ, কয়েক বছর পরে নতুন করে দুজনেই আবার সম্পর্কে জাড়ায়। এবং বছরদুয়েক আগে সংসার ছেড়ে বাকিবুল্লা বেরিয়ে যায়। রহিমাকে নিয়ে মুম্বইতে চলে যায় সে। পরিবারের দাবি, তার পর থেকে আর মাসছয়েক রহিমার কোনও খবর পাচ্ছিল না তাঁর পরিবার। রহিমার পরিবারের পক্ষ থেকে গোপালনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নামে।
[আরও পড়ুন: বিরাট নজির! চতুর্থবার আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার ‘কিং কোহলি’]
জেরায় ধৃতরা জানায় রহিমাকে মুম্বই থেকে বাদুড়িয়ার ইশ্বরিগাছাতে বাকিবুল্লার দিদি তারাবানুর বাড়িতে আনা হয়। বাকিবুল্লার জামাইবাবুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন রহিমা। তা নিয়ে অশান্তির জেরে বাকিবুল্লার দিদি রহিমাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে। প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ রান্নাঘরে পুঁতে দেয়। খুন এবং দেহ লোপাটের ঘটনায় দিদিকে সাহায্য করে রহিমার প্রেমিক বাকিবুল্লা।
বৃহস্পতিবার রহিমার কঙ্কাল মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়। তবে রহিমার পরিবারের তরফে বাকিবুল্লার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর আগেও পাশের গ্রাম থেকে এক মহিলাকে নিয়ে আসে বলেই দাবি রহিমার পরিবারের। বাকিবুল্লা নারীপাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে বলেই সন্দেহ। অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছে মৃতার পরিবার।
[আরও পড়ুন: বাংলার বুকে বানচাল নাশকতার ছক! সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে বীরভূমে উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক]
সর্বশেষ খবর
-
ক্যাম্পাসে বন্দে মাতরম যাত্রা এবিভিপির, বাইরে মিছিল এসএফআইয়ের! ফের তপ্ত যাদবপুর
-
মাতৃভাষাকে ভালোবেসে! বাংলায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপকদের বৃত্তিতে স্কুলে ১ লক্ষ দান প্রাক্তন শিক্ষিকার
-
জলরাক্ষসের আঘাতে এখনও বিধ্বস্ত নেপাল! এর মধ্যেই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত
-
চিন আটকে নেই যন্ত্রমানবে, শিল্পায়নে রোবট বিপ্লবের চেনা ছক বদলে দিচ্ছে বেজিং
-
মোদির পোস্টার বিতর্কে রক্ষাকবচ মিললেও শ্রীলেখাকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের, কী বললেন বিচারপতি?