স্রেফ যন্ত্র মানবে আটকে থাকছে না চিন। কিন্তু এবার শিল্পক্ষেত্রে বিশেষ রোবট ব্যবহার করে নজর কাড়ল জিংপিংয়ের দেশ। ‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশটিতে মোট ২০ লাখেরও বেশি শিল্প-রোবট চালু রয়েছে। ফলে অল্প সময়ে উৎপাদন হচ্ছে বেশি, বাড়ছে লাভ।
প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বরাবরই এগিয়ে চিন। সেদেশে এমন সবক্ষেত্রে রোবটের ব্যাপক ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে যা প্রকৃতপক্ষে মুনাফা দেয়। কারখানার উৎপাদন লাইন, গুদামঘর, লজিস্টিকস হাব এবং বিভিন্ন পরিষেবায় ব্যবহার করা হচ্ছে রোবট। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রোবোটিক্স-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চিনা কোম্পানিগুলো প্রায় ২,৯৫,০০০টি নতুন শিল্প-রোবট স্থাপন করেছে। যা বিশ্বব্যাপী নতুন রোবট স্থাপনের প্রায় ৫৪ শতাংশ। এছাড়া চিনে বর্তমানে ২০ লাখেরও বেশি শিল্প-রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে। যা জাপানের তুলনায় প্রায় সাড়ে চার গুণ। রোবটের এই বিশাল ব্যবহার ‘লার্নিং লুপ’ তৈরি করেছে। ফলে রোবট ব্যবহারের দক্ষতাও বাড়ছে। তবে এতে প্রতি ইউনিটের খরচ কমছে। তথ্য বলছে, গত বছর রোবট-শিল্পের আয় ৩০০ বিলিয়ন আরএমবি (ভারতীয় মুদ্রায় ৪,২১,৮০৯ কোটি টাকা) ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে চিন কেবল রোবট কিনছে তা কিন্তু নয়। বরং তারা যন্ত্রাংশ ও সফটওয়্যার থেকে শুরু করে সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট মিলিয়ে রোবটকে কেন্দ্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলছে।
আরও পড়ুন:
হিউম্যানয়েড বা মানবাকৃতির রোবটগুলো বারবার সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এলেও, চিনের প্রকৃত রোবোটিক্স বিপ্লবটি কিন্তু সাধারণ কাজের উপযোগী মানবাকৃতির যন্ত্র নয়। সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি রোবটগুলোই আসল বিপ্লব ঘটিয়েছে। এই মডেলটি চিনের কারখানাগুলোর বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মানানসই করেই তৈরি। কারণ সেখানে ওয়েল্ডিং, পরিদর্শন, প্যাকেজিং, বাছাই এবং পণ্য বা কাঁচামাল স্থানান্তরের মতো কাজগুলো করতে হয়।
সর্বশেষ খবর
-
পেটের ৭ স্তর কেটে সন্তান জন্ম, চর্চায় মিস ওয়ার্ল্ডের গাউনে মায়ের যন্ত্রণার কাহিনি
-
দোকানের মাল খাঁটি হলে খদ্দের জুটবেই, বলতেন সম্পাদক শরৎচন্দ্র
-
নেপালের বিধ্বংসী বন্যার নেপথ্যে চিন! কোভিডের মতো এবারও দায় এড়াচ্ছে বেজিং
-
ক্যাম্পাসে বন্দে মাতরম যাত্রা এবিভিপির, বাইরে মিছিল এসএফআইয়ের! ফের তপ্ত যাদবপুর
-
মাতৃভাষাকে ভালোবেসে! বাংলায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপকদের বৃত্তিতে স্কুলে ১ লক্ষ দান প্রাক্তন শিক্ষিকার