IIT Bhubaneswar

ভারতীয় জ্ঞানচর্চায় নয়া দিগন্ত, আইআইটি ভুবনেশ্বর ও ভক্তিবেদান্তের মধ্যে মৌ স্বাক্ষর

প্রাচীন প্রজ্ঞা ও আধুনিক প্রযুক্তির মধ্যে সেতুবন্ধন গড়তে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি) ভুবনেশ্বর। সম্প্রতি শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে কলকাতার ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের (বিআরসি) সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক বা মৌ (MoU) স্বাক্ষর করল এই কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গত বৃহস্পতিবার দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১২:৪১

options
link
ভারতীয় জ্ঞানচর্চায় নয়া দিগন্ত, আইআইটি ভুবনেশ্বর ও ভক্তিবেদান্তের মধ্যে মৌ স্বাক্ষর
প্রাচীন পাণ্ডুলিপি বাঁচাতে প্রযুক্তির বর্ম, মেলবন্ধন কলকাতা ও ভুবনেশ্বরের।

প্রাচীন প্রজ্ঞা ও আধুনিক প্রযুক্তির মধ্যে সেতুবন্ধন গড়তে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি) ভুবনেশ্বর। সম্প্রতি শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে কলকাতার ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের (বিআরসি) সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক বা মৌ (MoU) স্বাক্ষর করল এই কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গত বৃহস্পতিবার দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন হয়।

Advertisement

এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হল ভারতীয় দর্শন, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানচর্চা এবং ডিজিটাল হিউম্যানিটিজ বা ডিজিটাল মানববিদ্যার ক্ষেত্রে নিবিড় আন্তঃবিভাগীয় গবেষণা চালানো। আইআইটি ভুবনেশ্বরের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ডিন (স্পনসর্ড রিসার্চ) অধ্যাপক দিনকর পাসলা। বিআরসি-র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি তথা ডিন (অ্যাকাডেমিক) ড. সুমন্ত রুদ্র। অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্ট আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ড. অক্ষয় কুমার রথ ও প্রদীপ কুমার সাহু।

Advertisement
গত বৃহস্পতিবার দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে এই মৌ স্বাক্ষরিত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই প্রতিষ্ঠানের মেলবন্ধন ভারতের শিক্ষা মানচিত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। মূলত পাণ্ডুলিপি গবেষণা এবং তার আধুনিকীকরণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাচীন টেক্সট বিশ্লেষণ, ডিজিটাল রিপোজিটরি তৈরি এবং গবেষণার উপযোগী উন্নত টুলস তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পের অধীনে। আইআইটি-র প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং বিআরসি-র তাত্ত্বিক জ্ঞান মিলেমিশে এক অভিনব গবেষণার পরিবেশ তৈরি করবে।

Advertisement

অধ্যাপক পাসলার মতে, এই যৌথ উদ্যোগ ভারতীয় জীবনবোধ, নৈতিকতা এবং স্থায়িত্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দেবে। অন্যদিকে ড. সুমন্ত রুদ্রের আশা, এই অংশীদারিত্ব আগামী দিনে ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থাকে বিশ্ব দরবারে আরও শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করাবে।

শুধুমাত্র গবেষণাগারেই এই কাজ সীমাবদ্ধ থাকবে না। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে আন্তর্জাতিক সেমিনার, কর্মশালা এবং সম্মেলন আয়োজন করবে। মানববিদ্যা, সমাজবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনে একাধিক উচ্চমানের প্রকাশনা ও যৌথ প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগ আসলে প্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিগত কাঠামোর এক সার্থক সমন্বয়। যা আইআইটি ভুবনেশ্বরের সাংস্কৃতিক ও আন্তঃবিভাগীয় উৎকর্ষের প্রতি দায়বদ্ধতাকেই ফের প্রমাণ করল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.