Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Matsya Jayanti 2026

রাত পোহালেই মৎস্য জয়ন্তী? বিষ্ণুস্মরণে মিটবে দুঃখের কাল, জানুন পুজোর শুভক্ষণ

হিন্দুধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, সৃষ্টি যখন প্রলয়ের কবলে পড়েছিল, তখন জগতকে রক্ষা করতে মৎস্য রূপ ধারণ করেছিলেন ভগবান বিষ্ণু। সত্যযুগের সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণ করে প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে পালিত হয় ‘মৎস্য জয়ন্তী’। ২০২৬ সালেও এই পুণ্য তিথিটি ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উদ্দীপনা তুঙ্গে। শ্রীহরির দশাবতারের প্রথম রূপের আরাধনায় এদিন মেতে উঠবেন পুণ্যার্থীরা। তিথি ও শুভ মুহূর্ত কবে? জেনে নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ২০:৪৮

options
link
রাত পোহালেই মৎস্য জয়ন্তী? বিষ্ণুস্মরণে মিটবে দুঃখের কাল, জানুন পুজোর শুভক্ষণ zoom
২০২৬ সালে মৎস্য জয়ন্তী পালিত হবে কবে? জেনে নিন।

হিন্দুধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, সৃষ্টি যখন প্রলয়ের কবলে পড়েছিল, তখন জগতকে রক্ষা করতে মৎস্য রূপ ধারণ করেছিলেন ভগবান বিষ্ণু। সত্যযুগের সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণ করে প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে পালিত হয় ‘মৎস্য জয়ন্তী’। ২০২৬ সালেও এই পুণ্য তিথিটি ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উদ্দীপনা তুঙ্গে। শ্রীহরির দশাবতারের প্রথম রূপের আরাধনায় এদিন মেতে উঠবেন পুণ্যার্থীরা।

পুরাণ মতে, রাজা সত্যব্রত যখন নদীতে তর্পণ করছিলেন, তখন তাঁর করপুটে একটি ছোট মাছ উঠে আসে। সেই মৎস্যরূপী নারায়ণই রাজাকে আসন্ন মহাপ্রলয় সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। বিশাল রূপ ধারণ করে তিনি সপ্তঋষি, ওষধি এবং বেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছিলেন। সেই পৌরাণিক মাহাত্ম্যকে পাথেয় করেই এদিন মৎস্য অবতারের বিশেষ পূজা সম্পন্ন হয়।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

তিথি ও শুভ মুহূর্ত
২০২৬ সালে মৎস্য জয়ন্তী পালিত হবে ২১ মার্চ, শনিবার। পঞ্জিকা অনুযায়ী, চৈত্র শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি শুরু হচ্ছে ২১ মার্চ রাত ২টো ৩০ মিনিটে। এই তিথি চলবে ওই দিন রাত ১১টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। উদয়া তিথি মেনে শনিবারই উদযাপিত হবে জয়ন্তী। এদিন পুজোর জন্য বিশেষ প্রশস্ত সময় বা শুভ মুহূর্ত হল দুপুর ১টা ৪১ মিনিট থেকে বিকেল ৪টে ৭ মিনিট পর্যন্ত।

উপাসনা ও পাঠের মহিমা
মৎস্য জয়ন্তীতে ভক্তরা সাধারণত উপবাস পালন করেন এবং বিষ্ণু মন্দিরে দর্শন করেন। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিন শ্রীবিষ্ণুর আরাধনা করলে দুঃখ-দুর্দশা নাশ হয় এবং জীবনে স্থিতিশীলতা আসে। বিশেষ করে ‘বিষ্ণু সহস্রনাম স্তোত্রম্’ পাঠ করা এই দিনে অত্যন্ত শুভ বলে গণ্য করা হয়। ‘বিশ্বং বিষ্ণুর্বষট্কারো..’ মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পরমাত্মার স্মরণ করলে ভক্তের মন শুদ্ধ হয় এবং আধ্যাত্মিক চেতনার বিকাশ ঘটে।

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে যেখানে মৎস্য অবতারের মন্দির রয়েছে, সেখানে এদিন বিশেষ যজ্ঞ ও নাম-সংকীর্তনের আয়োজন করা হয়। অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতির কাছে নাগলাপুরমে অবস্থিত একমাত্র মৎস্য অবতার মন্দিরে এদিন লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম ঘটে। নদী বা জলাশয়ে মাছকে খাবার খাওয়ানোও এই বিশেষ দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ লোকাচার। বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক বিচারে এই অবতারটি জীবনের বিবর্তন ও জলজ প্রাণীর গুরুত্বকেও স্মরণ করায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.