Education

খুদে পড়ুয়াদের মুখে চওড়া হাসি, শ্যামনগরে মানবিক হাত বাড়াল ‘জনজাগৃতি’

প্রকৃত শিক্ষা হল মানুষের অন্তর্নিহিত সত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ। আর এই শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষাকে ছড়িয়ে দিতে চাই স্নেহের স্পর্শ, দায়িত্ব ও আন্তরিক প্রচেষ্টা। প্রতিষ্ঠা দিবসের পুণ্যলগ্নে সেই গুরুদায়িত্বই কাঁধে তুলে নিল ‘জনজাগৃতি সেবা প্রতিষ্ঠান’।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ১৪:৩০

options
link
খুদে পড়ুয়াদের মুখে চওড়া হাসি, শ্যামনগরে মানবিক হাত বাড়াল ‘জনজাগৃতি’
খুদে পড়ুয়াদের পাশে 'জনজাগৃতি'। নিজস্ব ছবি।

প্রকৃত শিক্ষা হল মানুষের অন্তর্নিহিত সত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ। আর এই শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষাকে ছড়িয়ে দিতে চাই স্নেহের স্পর্শ, দায়িত্ব ও আন্তরিক প্রচেষ্টা। প্রতিষ্ঠা দিবসের পুণ্যলগ্নে সেই গুরুদায়িত্বই কাঁধে তুলে নিল ‘জনজাগৃতি সেবা প্রতিষ্ঠান’। দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত শ্যামনগর গ্রামে রবিবার তৈরি হল এক আনন্দের কোলাহল।

Advertisement

উপলক্ষটা ছিল ট্রাস্টের জন্মদিন। আর সেই বিশেষ দিনটিকে সার্থক করতে গ্রামের ‘মা সারদা বিদ্যা মন্দির’ প্রাঙ্গণে বসেছিল চাঁদের হাট। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ লিশা পাণ্ডার আন্তরিক ভাবনায় এদিন অন্য রূপ নিল স্কুলটি। নার্সারি থেকে চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ২০০ জন খুদে পড়ুয়ার চোখে-মুখে তখন একরাশ কৌতূহল। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হল নতুন স্কুল ব্যাগ, খাতা, পেন ও পেনসিল। নতুন বইয়ের গন্ধে যেমন মন ভরল, তেমনই পেট ভরালো সুস্বাদু খাদ্যসামগ্রী। নতুন ব্যাগ পিঠে ঝুলিয়ে খুদেদের মুখের সেই চওড়া হাসিই যেন ছিল অনুষ্ঠানের আসল প্রাপ্তি।

Advertisement

তবে এই উদ্যোগ কেবল একদিনের আনন্দেই থমকে থাকছে না। ডঃ লিশা পাণ্ডা স্পষ্ট জানান, এটি কেবল শুরু। আগামী দিনে স্কুলের পরিকাঠামো বদলানোর বড় পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। পঠনপাঠনের পরিবেশকে আরও আধুনিক ও উন্নত করতে কোমর বাঁধছে এই ট্রাস্ট। সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকদের এই তৎপরতা দেখে আপ্লুত এলাকার শিক্ষক থেকে অভিভাবকেরা। গ্রামবাসীদের মতে, এই মানবিক প্রচেষ্টা গ্রামের পিছিয়ে পড়া শিশুদেরকে শিক্ষার মূল স্রোতে টিকে থাকার নতুন রসদ জোগাবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.