স্টাফ রিপোর্টার: করোনা (Coronavirus) থেকে মুক্ত হওয়ার পর মাঝেমধ্যে হতে পারে বুক ধড়ফড়। হতে পারে হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস। এমনকী রিউমাটিক আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একবছর চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। বুধবার ‘পোস্ট কোভিড ফলোআপ গাইডলাইন’ প্রকাশ করে সেই বার্তা দিল রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। সেখানে বলা হয়েছে, কোভিড মুক্তির ১৭ দিন পর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে অন্তত তিনটি পরীক্ষা আবশ্যিক।
কী সেই পরীক্ষা? স্বাস্থ্যদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘ফেরিটিন’, ‘ডি-ডাইমার’ এবং ‘সিআরপি’ রক্তের এই তিনটি উপাদানের ওঠানামা হলে বিপদ হতে পারে। তাই যাঁরা বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করেছেন তাঁরা অন্তত ছ’মাস অন্তর একবার। যাঁরা জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন তাঁরা কয়েকমাস অন্তর পরীক্ষা করাবেন। পাশাপাশি জানতে হবে ডায়াবেটিস হল কি না। অথবা বুকের এক্স-রে বা ইসিজি করতে হবে। চিকিৎসা পরিভাষায় এই তিনটি পরীক্ষাকে বলা হয় ‘মার্কার ফর ইনফ্লামেশন।’ উল্লেখ্য, সংবাদ প্রতিদিনই গত ১৩ ডিসেম্বর এই বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
[আরও পড়ুন:সংক্রমণের চিকিৎসা দেরিতে হওয়ায় দৃষ্টিশক্তি হারালেন যুবক, কাঠগড়ায় কলকাতার হাসপাতাল]
নির্দেশিকা বলছে, শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি বেশকিছু মানসিক সমস্যাও হতে পারে কোভিডমুক্ত হওয়ার পর। যেমন হঠাৎ উদ্বেগ বাড়তে পারে। আবার স্নায়ুর সমস্যা হতে পারে। হঠাৎ কয়েক মিনিটের জন্য ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আবার ফুসফুসে ফাইব্রোসিসের মতো সমস্যাও হতে পারে। এই সব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খেতে হবে। মোদ্দা কথা, করোনা থেকে মুক্ত হলেও সাবধানে থাকতে হবে অন্তত একবছর।
[আরও পড়ুন:শনিবার প্রায় ২০ ঘণ্টা পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ থাকবে দক্ষিণ কলকাতায়, জানাল পুরসভা]
সর্বশেষ খবর
-
সেবাশ্রয়ের ‘গাফিলতি’তে একরত্তির হাত বাদ, অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর
-
কেন ছাড়লেন তৃণমূল? ‘স্বপ্ন ভাঙা’র গল্প শোনালেন ‘শুভেন্দুদার সাপোর্টার’ রচনা
-
‘বেইমানদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, যারা যাওয়ার যাক’, ফের ‘শূন্য’ থেকে শুরুর অঙ্গীকার মমতার
-
ঝটকা মাংসের দোকান খুললেই ১০ হাজার টাকা অনুদান! বড় ঘোষণা বীজপুরের বিধায়কের
-
নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি, খুনের চেষ্টা! প্রধানকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে চড়-থাপ্পড় জনতার